রায়পুরে অসময়েও ধরা পড়ছে ইলিশ

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪৯

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা

রায়পুরে ভরা মৌসুমে না পাওয়া গেলেও এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রচুর বড়ো, মাঝারি ও ছোটো ইলিশ। দামও মৌসুমের চেয়ে বেশ কম। চার থেকে পাঁচটিতে এক কেজি ওজন হবে এমন ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩০০ টাকার কাছাকাছি দরে। মাঝারি ইলিশ প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি, ওজন হবে আধা কেজির মধ্যে। আর বড়ো ইলিশ প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার কাছাকাছি। ওজন হবে এক কেজির মধ্যে। অথচ মৌসুমে এক কেজি আকারের ইলিশ কিনতে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে।

চরবংশী আলতাফ মাস্টার মাছঘাটের ইলিশ ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, এ সময় অন্য বছর কোনো ইলিশই দেখা যেত না। কিন্তু এবারই ব্যতিক্রম। তাই শীতকালেও বেশ কিছুদিন ধরেই এখানে প্রচুর ইলিশ আসছে। এই মাছঘাটে ইলিশের কমতি নেই। প্রতিদিন গড়ে অন্তত ২০০ মণ থেকে ৩০০ মণ ইলিশ আসছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ইলিশই এক কেজি ওজনের, যার দাম কেজি মাত্র ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এর চেয়ে ছোটো আকারের বা বড়ো আকারের ইলিশ ১০০ থেকে ২০০ টাকা কম-বেশিতে কেনাবেচা হচ্ছে। স্থানীয় ক্রেতাদের ইলিশের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ সারাদেশের বাজারগুলোতে এই ইলিশ যাচ্ছে।

রায়পুর উপজেলার সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় নদী ও সাগরে ইলিশের উত্পাদন বেড়েছে। এছাড়াও মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ায় জেলেদের জালে বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। এখন সারা বছরই ইলিশ ধরা পড়বে নদী ও সাগরে। সরকারের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে প্রতি বছর উত্পাদনও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।