ক্যানসার রোধে সচেতনতাই অন্যতম হাতিয়ার

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:০১

আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে ২৪ মিলিয়ন বা ২ কোটি ৪০ লাখ। সেই অনুযায়ী শুধু বাংলাদেশেই এই রোগের চিকিত্সার জন্য ২০৩০ সালে প্রয়োজন হবে ৩০০ ক্যানসার ট্রিটমেন্ট সেন্টারের। বর্তমানে দেশে রোগীর চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজন ১৬০টি ক্যানসার ট্রিটমেন্ট সেন্টার। এতগুলো ট্রিটমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যানসার বিশেষজ্ঞও এখন অনেক বড়ো চ্যালেঞ্জ। এজন্য সচেতনতাই এখন মূল লক্ষ্য। সঠিকভাবে সচেতন করতে পারলে ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। 

গতকাল বুধবার বিশ্ব ক্যানসার দিবস উপলক্ষ্যে উত্তরাস্থ আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হসপিটাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ তথ্য জানান।

বক্তারা বলেন, ক্যানসার চিকিত্সার ক্ষেত্রে এতগুলো ট্রিটমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বিশেষ করে দেহ ও মনের পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা বজায় রাখতে পারলে ক্যানসারসহ সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন, বিশ্ব ক্যানসার দিবসে শুধু সচেতনতা নয়। বরং বছরের প্রতিটি দিনেই ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারলে এই রোগকে রুখে দেওয়া সম্ভব হবে। নিয়মমাফিক প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক স্থিতিশীলতা হতে পারে ক্যানসার প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি, বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান এমপি (ফারুক)। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম।

ক্যানসার প্রতিরোধ ও সচেতনতার ওপর আলোচনা করেন জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন পরিচালক ও এএমসিজিএইচ-এর গভর্নিং বডির সদস্য ক্যানসার বিশেষজ্ঞ এম এ হাই, সিনিয়র কনসালটেন্ট এবং  এএমসিজিএইচ-এর মেডিক্যাল সার্ভিসেস ও হেড অব রেডিয়েশন অনকোলজির ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান চৌধুরী, সিনিয়র কনসালটেন্ট ও এএমসিজিএইচ-এর হেড অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি অধ্যাপক ডা. এ এম এম শরিফুল আলম এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম খলিলুর রহমান প্রমুখ।