বাংলাদেশ আফগানিস্তান ম্যাচ হবে সিলেটে

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪৬

কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ। চারটির মধ্যে একটি হোমম্যাচ এবং বাকি তিনটি অ্যাওয়ে ম্যাচ ছিল। এখন অবশিষ্ট চার ম্যাচের মধ্যে একটি কাতারে, ঢাকায় বাকি তিনটি। ঢাকায় আফগানিস্তান, ভারত এবং ওমানের বিপক্ষে খেলা।

আগামী ২৬ মার্চ আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ। এই ম্যাচটি বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি সিলেটে হবে বলে বাফুফে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকালই সেটি প্রকাশ করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ। তিনি জানিয়েছেন সিলেটে হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান ম্যাচ।

সিলেটে ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের খেলা হয়েছিল। সেবার উপচেপড়া দর্শক হাজির হয়েছিলেন। দর্শক সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছিল আয়োজক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর। সিলেটের দর্শক ফুটবল প্রিয় বিশ্বকাপ বাছাইয় ফুটবলের ম্যাচ পেয়ে তারাও খুশি জেলা ও ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, মাহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম। তিনি বলেন,‘আজই বাফুফের চিঠি পেয়েছি। ম্যাচ আয়োজনে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব। যেভাবে ম্যাচ আয়োজন করলে দেশের ফুটবলের মুখ, সিলেটবাসীর মুখ উজ্জ্বল হয়—তা মাথায় রেখে আমরা সিলেটের সংগঠকরা কাজ করব।’ সেলিম সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। এটা যেহেতু ফিফার ম্যাচ এবং সিলেট প্রথম কোনো জেলা, যেখানে হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ বাছাই ফুটবলের প্রথম কোনো ম্যাচ। আমরা সিলেটের মানুষরা ইতিহাসের প্রথম সাক্ষী হতে পারব।’

বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন বাংলাদেশ আফাগনিস্তান ম্যাচটা সিলেটে আয়োজনের জন্য তারা এরই মধ্যে এএফসিতে চিঠি দিয়েছিলেন। সেই চিঠির প্রাথমিক সবুজ সংকেতও পেয়ে গেছেন। সেই আলোকেই সিলেটের ব্যাপারে তত্পরতা শুরু হয়েছে। সোহাগ বলেছেন, ‘যেহেতু প্রাথমিক অনুমোদন হয়েছে চূড়ান্ত অনুমোদনও হয়ে যাবে। আট পাতার একটি শর্ত পূরণ করে এএফসিতে পাঠানো হয়েছে। একটু আটকে আছে একটা জায়গায়। গ্যালারিতে চেয়ার থাকতে হবে। এটা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেও নেই। আমরা সেটা বুঝাতে চেষ্টা করছি।’

এএফসি যদি বাফুফের কথায় সন্তুষ্ট হয় তাহলে কথাই নেই। আর যদি সন্তুষ্ট না হয় তাহলে একটি পরিদর্শক দল আসবে। সিলেটে গিয়ে দেখবে কী অবস্থা। মাহিউদ্দিন মাহি জানিয়েছেন তাদের সিলেট স্টেডিয়ামে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ হয়। এবার স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।