আমাদের দেশে অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে মানুষকে পুরোপুরি সচেতন করা যায়নি। একটু জ্বর হলেই একটি বা দুটি অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে জ্বর কমলে আর না খাওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি। নারীরা বেশি অনিয়ম করে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ক্ষেত্রে। এতে তাদের গর্ভের সন্তানের ওপর প্রভাব পড়ে। দেখা যাবে শিশুরা অল্পতেই বেশি অসুস্থ হবে এবং সাধারণ ওষুধে তা সারবে না। এরকম ঘটনা কিন্তু হচ্ছেও। প্রায়ই দেখা যায় অনেক শিশুর ক্ষেত্রে তারা অ্যান্টিবায়াটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। কিভাবে সম্ভব হলো, এর শেকড় খুঁজতে গেলে যেটা বের হয়ে আসবে, সেটাই হলো এই অনিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন। শিশুদের নিউট্রিশন, শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক যে প্রোগ্রামগুলো ভবিষ্যতে হাতে নেওয়া হবে—তার সঙ্গে মায়েদের কেন অ্যান্টিবায়োটিক সচেতন হতে হবে, এ বিষয়ে কাজ করা খুব জরুরি বলে মনে করি। শিশুর স্বাস্থ্যের অনেকটুকুই মায়ের গর্ভ থেকেই শুরু হয়। সুস্থ শিশু পেতে চাইলে সুস্থ মা নিশ্চিত করতেই হবে। আর মায়ের এ সুস্থতা একদিনের বিষয় নয়, বরং ছোটোবেলা থেকেই নারীদের ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক করে তোলাটাই শ্রেয়।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর
