ভ্যালেন্টাইন পার্কে পরী-দর্শন

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:৪৪

মিথ্যুক কাউয়া, দূরে গিয়া মর।

সরি জান, রাস্তায় যে কত্ত জ্যাম ছিল...।

আয়া পড়ছি মামা, নো টেনশন...।

ওগো দেখো, ওই জুটিটা কী সুন্দর ফুচকা খাচ্ছে। চলো না আমরাও খাই। 

নেহি, কাভি নেহি। এখানে বসে বাদাম খাব, সীমের বিচি খাব তবু কখনো আমার জানটুসকে রাস্তার পাশের খাবার খাওয়াব না।   

আচ্ছা, আমরা এখানে দাঁড়িয়ে ফুচকা খাচ্ছি কেন?

কারণ, এই মামা ফুচকার সাথে এক প্যাকেট স্যালাইন ফ্রি দেয়।  

পরে আরেক পেলেট খাইলে কইলাম ফ্লাজিল ট্যাবলেট ফ্রি।  

আমি কি সবার মতো অর্ডিনারি? এমন মাল্টিটাস্ক ফুল জীবনে কেউ দিছে? গন্ধ নেওয়া শেষ হইলে, স্বাদ কইরা খাইতে পারবা।  

ভ্যালেন্টাইন ডে-তে সবাই দেয় গোলাপ ফুল, আর তুমি দিলা ফুল কপি?

এই ছেলে, তুই কে রে?

অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। 

ইয়ে চাচ্চু, আমি কেউ না। রাস্তায় আপনার মেয়েকে একা দেখে এতক্ষণ পাহারা দিচ্ছিলাম। এখন তবে যাই?  

আজ ব্যাচেলার বলে...

আপেল না কমলালেবু হেইডা কে জিগাইছে? দেন না, মাসুম পোলাডা তো আর খাইব না, খেইলাই দিয়া দিব।

আরে মাথা খারাপ নাকি? এটা এপেলের গেজেট। 

আব্বা, ওই বেডার মোবাইলডা দিতে কও, পাবজি খেলাম। 

অন্তত আজকের দিনটা আমাকে ছাড়া আর কাউকে চুমু খাবে না, প্রমিজ করো।

যা দুষ্টু!

জানু, সবাই তো কিছু না কিছু খাচ্ছে, আমরা খাব না? 

আবার জিগায়? আমরা ঢাকার এক নম্বর ফ্রেস বাতাস খাব। 

হ্যালো বউ, খুব ব্যস্ত আছি। সামনে প্রচুর কাস্টমার ওয়েটিংয়ে। মোবাইলের ক্যামেরায় সমস্যা না থাকলে দেখতে পারতা।

এই তোর প্রচুর কাস্টমার, না?