জো ক স

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:৫২

/ সত্যজিত্ বিশ্বাস

এমন কিছু, যা কাউকে দাওনি কখনো

ভ্যালেন্টাইন ডে-তে এক উঠতি বয়সের রোমিও দামী রেস্টুরেন্টে গেছে কিছু খেতে। রেস্টুরেন্টের এক ওয়েট্রেসকে দেখে রোমিওর মাথা খারাপ অবস্থা। ইশারায় কাছে ডাকল সুন্দরী ওয়েট্রেসকে।

সুন্দরী ওয়েট্রেস : বলুন কী খাবেন?

রোমিও : গার্লিক নান, চিকেন মাসালা, একটা কোক আর...

ওয়েট্রেস : আর?

রোমিও :এমন কিছু, যা শুধুই তোমার, অথচ কাউকে খেতে দাওনি কখনো।

সুন্দরী ওয়েট্রেস অর্ডার নিয়ে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর গার্লিক নান, চিকেন মাসালা, কোকের গ্লাস রোমিওর টেবিলে নামিয়ে রেখে মিষ্টি হাসি উপহার দিল ওয়েট্রেস। রোমিও বিগলিত গলায় ফিসফিসিয়ে ওঠলো। কী ব্যাপার, অর্ডারে আরেকটা জিনিস ছিল না? ওটা কই?

সুন্দরী ওয়েট্রেস এদিক ওদিক তাকিয়ে মাথা চুলকাতে শুরু করল।

রোমিও আবেগে উত্তেজিত হয়ে বলে উঠল, একদম ভেবো না, আমি চারদিকে খেয়াল রাখছি। তুমি দিয়ে দাও।

দু আঙুলে চেপে ধরে কী একটা যেন রোমিওর হাতে ধরিয়ে দিয়েই সুন্দরী ওয়েট্রেস সরে পড়ল।

গা শিরশির করা অনুভূতি নিয়ে রোমিও হাতের মুঠো খুলল। একটি উকুন হেঁটে যাচ্ছে হাতের মুঠোয়!

 

খেতে দেবে বলে মনে হয় না

ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে এক জুটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেল।

প্রেমিক :টিয়া পাখি, কী খাবে বলো?

প্রেমিকা :আজ একটা স্পেশাল ডে। তুমিই অর্ডার দাও।

প্রেমিক :উহু, আমি না তুমি। তাছাড়া তুমি তো জানোই, আমি কী খেতে পছন্দ করি।

প্রেমিকা (এদিক ওদিক তাকিয়ে) :ওরা সেটা এখানে খেতে দেবে বলে মনে হয় না।

 

এই হাসি থাকবে?

১ম বান্ধবী :আমার হবু বরের হাসিটা খুব সুন্দর, না রে?

২য় বান্ধবী :হুম, খুব সুন্দর। কিন্তু লাভ কী?

১ম বান্ধবী :লাভ কী মানে?

২য় বান্ধবী :না মানে, বিয়ের পর এই হাসি কী আর থাকবে?

 

অন্য কিছু

প্রেমিক :ওগো, আজ তো ভ্যালেন্টাইন ডে। আসো না, আজ অন্য কিছু করি।

প্রেমিকা :অন্য কিছু কী?

প্রেমিক :সেটা ‘চু’ দিয়ে শুরু...।

প্রেমিকা :ঠিক আছে।

প্রেমিক :কী হলো, চুপ মেরে গেলে যে?

প্রেমিকা :তুমিই তো বললে ‘চুপ’ করতে!

 

সহজ উপায়

বেকুব বন্ধু :দেখতে দেখতে ভ্যালেন্টাইন ডে চলে আসল। আমার কি কিছু হবে না?

চালাক বন্ধু :তোর সমস্যা তো তুই নিজেই। কোন মেয়েকে ভালো লাগে, তাই তো বুঝিস না।

বেকুব বন্ধু :কাউকে ভালো লাগে কি-না, বোঝার একটা সহজ উপায় বলে দে না দোস্ত। 

চালাক বন্ধু :শোন হাঁদারাম, এমন কেউ কি আছে, যাকে পথে দেখলেই তোর বুক ধরফর করে?

বেকুব বন্ধু :করে তো। 

চালাক বন্ধু :এর মানে হলো, তুই তার প্রেমে পড়েছিস।  

বেকুব বন্ধু :হায়রে কপাল, বলিস কী? 

চালাক বন্ধু :কেন? কী সমস্যা? সে কী বিবাহিতা? 

বেকুব বন্ধু :তা তো জানি না।

চালাক বন্ধু :জানিস না, জিজ্ঞাসা করবি।

বেকুব বন্ধু :কেমনে জিজ্ঞাসা করব? কথা বলতে পারলে তো!

চালাক বন্ধু :কেন?

বেকুব বন্ধু :কুকুর কী কথা বলতে পারে?

 

মামা সব জানে

ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, বিবাহিতরা সব ভুলে, এমনকি নিজের জন্মদিন পর্যন্ত ভুলে যায়। কিন্তু বিবাহ বার্ষিকীটা ভুলে না কেন?

মামা :জীবনের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনার দিন কেউ কি ভুলে?

 

কার অসময়?

১ম বন্ধু :এই অসময়ে ইলিশের ঝাঁক কোথা থেকে এলো বল তো?

২য় বন্ধু :তার আগে বল, কার অসময়? তোর না ইলিশের? 

 

দুই আঁতেলের আলোচনা

১ম আঁতেল :এবারের বইমেলায় বাঁশের উপস্থাপন চোখে পড়ার মতো, তাই না? 

২য় আঁতেল :সেটা নির্ভর করে দেখার দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।

 

ভুল বলল কী?

 

১ম বান্ধবী :কীরে, ভ্যালেন্টাইন ডে-তে মিজান ভাইয়ের সাথে ঘুরতে গেলি না?

২য় বান্ধবী :ওই ফ্রডের নাম আমার সামনে আর মুখে আনবি না।

১ম বান্ধবী :কেন রে, কী হলো?

২য় বান্ধবী :আরে, ফ্রডটা বলেছিল—ও নাকি হার্ট স্পেশালিস্ট।

১ম বান্ধবী : আসলে কী?

২য় বান্ধবী :উঠতি কবি।

১ম বান্ধবী :তো, ভুল বলল কী?

চোখাচোখি

 

ক্রেতা :ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে আর তোমার ইলিশ মাছের চোখ ঘোলা কেন? কত বছর আগের মরা মাছ?

বিক্রেতা :স্যার, আপনার চোখও তো ঘোলা দেহায়। তাইলে কি...।

বোঝার ভুল

 

১ম বন্ধু :কীরে, ভ্যালেন্টাইন ডে-তে একা একা ঘুরছিস, মলি কই?

২য় বন্ধু :ওই মিথ্যুকের নাম মুখে আনবি না।

১ম বন্ধু :কেন, কী হয়েছে?

২য় বন্ধু :আরে, ও আমাকে বলেছিল—ও নাকি চাইল্ড স্পেশালিস্ট।

১ম বন্ধু :আসলে কী?

২য় বন্ধু :আজ সকালে ওর বাসায় ভ্যালেন্টাইন ডে’র সারপ্রাইজ দিতে গিয়ে দেখি, চার চারটা বাচ্চা আছে ওর।

১ম বন্ধু :মিথ্যে বলল কই? ও তো বিরাট চাইল্ড স্পেশালিস্ট। তোরই বোঝার ভুল।