/ ব্রত রায়
ভাবগম্ভীর পরিবেশ চাই, মর্যাদা যথাযথ
ভ্যালেন্টাইন পালিত হইবে অন্যবারের মতো।
দিবসকে ঘিরে কত প্রকারের রয়েছে কর্মসূচি
ঢেলে সাজাবেন যুগলেরা সেটা যেমন যাদের রুচি।
প্রস্তুতি আছে নানা প্রকারের, প্রস্তুতি হবে নিতে
তার পিছে আছে প্রচুর খরচ, কিচ্ছু হবে না ফ্রিতে।
প্রস্তুতি যদি ঠিক থাকে তবে থাকবে না কোনো খুঁতও
নতুন জামার সঙ্গে কিনিবে ম্যাচিং গয়না, জুতো।
লিপস্টিকের রঙ মিলাইতে বহু পথ যাবে হেঁটে
[ও বস্তুটার বেশিটা যাইবে যদিও পরের পেটে!]
কেউবা খুঁজবে ডেন্টিস্ট আর কেউ চলে যাবে জিমে
কেউবা ডায়েট ভর্তি করবে মাংস, দুধ আর ডিমে!
বহুদিন পরে কেউ কেউ ক্লিন করিবে মেসের ঘর
বিছানা-চাদর বদল করতে হইবে তাহার পর।
কেউবা যাইবে সেলুনে কেউবা পার্লারে যাবে সোজা
কেউবা আবার ঘরে বসিয়াই কমাবে দেহের বোঝা!
টাকা পয়সার জোগাড় করিতে হইবে সবার আগে
গিফট দেয়া আর ঘোরাঘুরি আছে তাহারও বাজেট লাগে!
কত খাতে হবে কত ব্যয় তাহা আগেই রাখিও লিখে
ক্ষুধাতৃষ্ণায় ভরিবে না পেট শুধুই লিপস্টিকে!
বুকিং আগেই করিতে হইবে অমুক ভাইয়ের ফ্ল্যাটে
মাঠ (মানে খাট) না পাইলে খেলা জমিবে না বলে-ব্যাটে!
পাড়ার মোড়ের মেডিসিন শপে যেতে ভুলিও না, সোনা
সারাজীবনের কান্না আনিবে একটি দুর্ঘটনা।
