ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, ছাত্রলীগের অস্বীকার

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:৪৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ‘নিরাপদ বাংলাদেশ চাই’ ব্যানারে কর্মসূচি পালন করতে এসে মারধরের শিকার হয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

তাদের মধ্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় কয়েকজন নেতাও ছিলেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ তাদের উপর হামলা চালিয়েছে।

রবিবার দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে তাদের কর্মসূচি পালনের কথা ছিলো।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচি পালনের আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) খেতে বসলে তাদের উপর ২০-২৫ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী অতর্কিতভাবে হামলা করে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা বিন ইয়ামিন, জসিম উদ্দিন আকাশ, সোহরাব হোসেনসহ আট-দশজন। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।

আরো পড়ুন: পথে পথে মানুষের ভালোবাসা পেলেন মাশরাফি

সূত্র জানায়, হামলাকারীরা মারধরের সময় টিএসসির গেট আটকে দেয়। তাদের মারধরে সোহরাব হাসানের নাক ফেটে রক্ত বের হয়। তার অবস্থা আশংকাজনক। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়াও জসিম উদ্দিন আকাশ, জালাল আহমেদসহ অন্য আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম রহমান খান পাঠান ইত্তেফাককে  বলেন, আমরা ৮/১০ জন টিএসসি প্রাঙ্গণে আড্ডা শেষে টিএসসি ক্যাফেটেরিয়াতে খাবার নিয়ে খেতে বসি। তখন আমাদের উপর ছাত্রলীগের বিভিন্ন হলের পদধারী নেতাসহ প্রায় ৮০/৯০ জন হামলা করে। এতে গুরুতর আহত হন সোহরাব হোসেন, কবীর হোসেন, জসিম উদ্দিন। আমিসহ মোল্লা বিন ইয়ামিন, তারেক আহমেদ নাহিদসহ বেশ কয়েকজন আহত হই।

তবে ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

ইত্তেফাক/জেডএইচ