অবশেষে বোলিংয়ে উজ্জ্বল মুস্তাফিজ

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৩৫

বিসিএল

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) প্রথম রাউন্ডে ১০৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। টেস্ট দল থেকেও বাদ পড়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। ফিটনেসের ঘাটতির কারণে পাকিস্তান সফরের টেস্ট দলে জায়গা হয়নি তাসকিন আহমেদেরও। বিসিএলের দ্বিতীয় রাউন্ডে দুই পেসারই জ্বলে উঠেছেন।

সিলেটে ম্যাচের প্রথম দিনে উত্তরাঞ্চলের তাসকিন ও গতকাল দ্বিতীয় দিনে বল হাতে উজ্জ্বল ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের মুস্তাফিজ। তাসকিনও গতকাল ২ উইকেট পেয়েছেন। আর ৬৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। তার বোলিংয়েই গতকাল উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে ১৬৬ রানে। ৪ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামা মধ্যাঞ্চল গতকাল ৫ উইকেটে ১৮৭ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেছে। শুভাগত হোম ২৮ ও জাকের আলী শূন্য রানে ব্যাট করছেন। ১৯১ রানে এগিয়ে আছে মধ্যাঞ্চল।

কক্সবাজারে দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছে ৪৮২ রানে। গতকাল ৩৯ রান যোগ করতেই শেষ চার উইকেট হারিয়েছে দলটি। বড়ো রানে চাপা পড়ার পর লড়ছে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল। গতকাল দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৭০ রান। নাসির ১২, জাকির ১৩ রানে অপরাজিত আছেন।

মুস্তাফিজের তোপে পড়ে গতকাল ৭৭ রান যোগ করতেই শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে উত্তরাঞ্চল। আগের দিন জুনায়েদকে ফেরানোর পর গতকাল দিনের তৃতীয় ওভারে মুশফিককে (২) বোল্ড করেন মুস্তাফিজ। পরে এনামুল জুনিয়র, তাসকিনও তার শিকার হন। উত্তরাঞ্চলের স্কোরটা ১৫০ ছাড়িয়েছে আরিফুল হকের ৫০, নাঈম ইসলামের ২২ রানে। মধ্যাঞ্চলের মুস্তাফিজ ৪টি, আরাফাত সানি ২টি, শহীদুল, মুকিদুল, শুভাগত ১টি করে উইকেট পান।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল মধ্যাঞ্চল। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে নাঈম শেখকে (০) বোল্ড করেন তাসকিন। রকিবুল ২৭, মার্শাল ১১ রান করেন।  চতুর্থ উইকেটে ৮৯ রানের জুটি গড়ে আব্দুল মজিদ-তাইবুর রহমান বিপদ কাটান। তাইবুর ৪৭ ও দিন শেষের আগের ওভারে মজিদ তাসকিনের শিকার হন। তিনি ৬৯ রান করেন। উত্তরাঞ্চলের তাসকিন ২টি উইকেট নেন।

কক্সবাজারে গতকাল কোনো রান না যোগ করেই দিনের দ্বিতীয় ওভারে ফিরে গেছেন দক্ষিণাঞ্চলের নুরুল হাসান সোহান। ১৫৫ রানে থেমেছেন তিনি হাসান মাহমুদের বলে এলবির ফাঁদে পড়ে। পরে লোয়ার অর্ডার দ্রুত গুটিয়ে দিয়েছেন সাকলাইন সজীব। ফরহাদ রেজা ২৬, রবিউল অপরাজিত ১২ রান করেন। পূর্বাঞ্চলের রেজাউর, সাকলাইন ৩টি করে, হাসান ২টি, আশরাফুল ১টি উইকেট পান।

প্রথম ইনিংসের শুরুটা ভালোই ছিল পূর্বাঞ্চলের। আশরাফুল-পিনাক ঘোষ ১৪৬ রানের জুটি গড়েন। দুজনই হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। আশরাফুলকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন রাজ্জাক। তিনি ৭১ রান করেন। পিনাক ফিরেন ৮০ রান করে।