সপ্তদশ জাতীয় যুব সম্মেলনে বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
তরুণরা পরিবর্তনের রূপকার। তাদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে এক অপূর্ব সম্ভাবনা কাজ করছে। তবে এই সম্ভাবনাময় তরুণদের কাজে লাগাতে দরকার মানসম্মত শিক্ষা। আর মানসম্মত শিক্ষাই মানবিক নৈতিকতা সম্পন্ন মানুষ তৈরি এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে। আর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে তাদের জন্য অবশ্যই নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দরকার। গতকাল আগারগাঁও এলজিইিডি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সপ্তদশ জাতীয় যুব সম্মেলনে’ বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এই সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে সারাদেশ থেকে ১ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাব্রতী তরুণ-তরুণী অংশ নেন। উদ্বোধনী পর্বে ইউএসএইড বাংলাদেশ মিশনের ডিরেক্টর ডেরিক ব্রাউন বলেন, তরুণরা পরিবর্তনের রূপকার। তারা বিভিন্নভাবে সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছেন। কিন্তু বৃহত্ পরিসরে এসডিজি অর্জনের জন্য তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অসাধারণভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। এই প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখার জন্য একই সঙ্গে শান্তুি প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, দেশের তরুণদের উদ্দীপনা আমাকে মুগ্ধ করে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে থাকলেও সামাজিক ও মানবিক মানদণ্ডে কিছুটা পিছিয়ে আছি। তবে আমি আশাবাদী, তরুণরা উজ্জীবিত হলে সেই মানদণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সম্মানিত ফেলো অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এসডিজির মূল প্রতিপাদ্যই হলো কাউকে পেছনে রাখা যাবে না। এসডিজির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো মানসম্মত শিক্ষা। কারণ, মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমেই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা যায়। উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দরকার হবে।
দি হাঙ্গার প্রোজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দেশে তরুণদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে এক অপূর্ব সম্ভাবনা কাজ করছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। অনুষ্ঠানের আরো বক্তব্য দেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জি, উন্নয়ন সংস্থ্যা ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাসিমা আক্তার জলি, ব্রিটিশ কাউন্সিল সোসাইটির ডিরেক্টর শাহনাজ করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলনের আহ্বায়ক ইয়ুথ লিডার মারুফুজ্জামান অসিন এবং ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর মোস্তাফিজুর রহমান সজল।
