ইত্তেফাক রিপোর্ট
যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবসায়-বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে। বিশেষত বর্তমানে বিশ্বব্যাপী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অংশ হিসেবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা ব্যবসায়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দেশেও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম হতে হবে। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় টিকে থাকা কঠিন হবে। শনিবার গাজীপুরের টঙ্গিতে অবস্থিত উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থী মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের শিক্ষার্থীরা টঙ্গির এক্সক্লুসিভ ক্যান কারখানা পরিদর্শনে যান। এ সময় নতুন উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, ব্যাবসায়িক কার্যক্রম শুরু করা কিংবা এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে চ্যালেঞ্জগুলোও উঠে আসে।
ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী, সহকারী অধ্যাপক রেহানা পারভিন, সারাহ তাসনীম, কিউ পেইল লিমিডেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসির ছাড়াও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হবে প্রযুক্তিনির্ভর। বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদেরকেও সব শিল্পকারখানায় প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম হতে হবে। দেশের বিভিন্ন কারখানায় রোবটিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলে অনেক কর্মী বেকার হবে। তাদেরকে কর্মের ব্যবস্থা করতে হবে। এ সময় উদ্যোক্তাবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা। তারা বলেন, দেশে উদ্যোক্তা তৈরির অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো ব্যাংকের ঋণ দিতে না চাওয়া। কাগজপত্রের নানা জটিলতা রয়েছে।
