রিয়াল-বার্সার জয়
স্পোর্টস ডেস্ক
মিলান ডার্বির প্রথমার্ধেই ইন্টার মিলান পিছিয়ে পড়ল দুই গোলে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ৪-২ গোলে হারায় নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলানকে। এ জয়ের ফলে সিরি’আর শীর্ষে উঠে এসেছে কোচ অ্যান্তোনিও কন্তের দল। স্প্যানিশ লিগেও রিয়াল মাদ্রিদ-বার্সেলোনা প্রত্যাবর্তনের গল্পই লিখেছে। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও যথাক্রমে ৪-১ ও ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছে তারা।
গত রবিবার রাতে সান সিরোর ম্যাচে ৪০ মিনিটে এগিয়ে যায় মিলান। ইব্রাহিমোভিচের বাড়ানো বলে পা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করেন আন্তে র্যাবিচ। এর মিনিট পাঁচেক পর আবারও ইব্রা ঝলকে ব্যবধান বাড়ানো মিলান স্বপ্ন দেখছিল ডার্বি জয়েরই।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের গল্পটা কেবলই ইন্টারের। ৫০ মিনিটে মার্সেলো ব্রজোভিচের গোলের তিন মিনিট পর সমতাসূচক গোলটি আসে মাতিয়াস ভেসিনোর পা থেকে। এরপর ৭০ মিনিটে স্টেফান ডি ভ্রাইয়ের লক্ষ্যভেদে ম্যাচে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় ইন্টার। অন্তিম সময়ে মিলানের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন রোমেলু লুকাকু। এ জয়ের ফলে জুভেন্তাস থেকে গোল ব্যবধানে এগিয়ে সিরি’আর চূড়ায় উঠে আসে নেরাজ্জুরিরা।
এ নিয়ে টানা ১৬ ম্যাচে অপরাজিত ইন্টার আগামী বুধ ও রবিবার ন্যাপোলি ও ল্যাজিওর বিপক্ষে খেলবে। ঠাসবুনোটের সূচির আগে এ জয় দলের শিরোপার স্বপ্ন আরো জোরদার করবে, অভিমত কোচ কন্তের। তিনি বলেন, ‘আমরা স্বপ্ন দেখতে পারি। প্রচণ্ড প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটা সময় অপেক্ষা করছে আমাদের সামনে। এর পরই আমরা আমাদের ক্ষমতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা পাব।’
স্প্যানিশ লিগে রিয়াল মাদ্রিদও ওসাসুনার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল। ১৪ মিনিটে উনাই গার্সিয়ার গোলের জবাব তারা দেয় ৩৩ মিনিটে ইস্কোর লক্ষ্যভেদে। এরপর অবশ্য ৩৮, ৮৪ ও ৯০ মিনিটে সার্জিও রামোস, লুকাস ভাসকেজ ও লুকো জোভিচের গোলে জয় পেতে কোনো সমস্যাই হয়নি রিয়ালের। তবে বার্সার প্রত্যাবর্তনটা সহজ ছিল না মোটেও। রিয়াল বেতিসের মাঠে ৬ মিনিটে সার্জি কানালেসের পেনাল্টি থেকে পিছিয়ে পড়ে তারা। এর তিন মিনিট পর লিওনেল মেসির লম্বা বল থেকে গোল করে বার্সাকে সমতায় ফেরান ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। ২৬ মিনিটে বেতিসের নাবিল ফেকিরের দারুণ গোলটি জবাব তারা দেয় প্রথমার্ধের শেষদিকে। মেসির ফ্রি কিক থেকে গোল করেন সার্জিও বুসকেটস। মেসিরই আরেক ফ্রি কিকে মাথা ছুঁইয়ে ৭০ মিনিটে বার্সার জয়সূচক গোলটি করেন ক্লেমেন্ত লংলে।
