এবার বাড়ি ফেরার পালা

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪৬

স্পোর্টস রিপোর্টার

আসবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। গতকাল সকাল থেকেই সরগরম মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বিসিবি একাডেমির সামনে সাজানো বাস দাঁড়িয়ে। মিনিবাসটি মুড়ে দেওয়া হয়েছে চ্যাম্পিয়নদের ছবিতে বানানো পোস্টারে। ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন্স’ লাল পোস্টারে ট্রফি হাতে যুব দলের অধিনায়ক আকবর আলী রয়েছেন কেন্দ্রবিন্দুতে। দক্ষিণ আফিক্রার পচেফস্ট্রুমে ফাইনাল ম্যাচের পর ট্রফিসমেত গোটা বাংলাদেশ দলের ছবি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে একাডেমিতে।

ফাইনাল জয়ের নায়ক আকবরের ট্রফি হাতে বড়ো পোস্টার ঝুলানো হয়েছে স্টেডিয়ামের দেওয়ালে। আলোকসজ্জা তো আছেই। ফুলের তোড়া, ফুলের মালা জড়ো করা হয়েছে। উত্সবের আমেজ মিরপুর স্টেডিয়ামে। এই আনন্দে হচ্ছে বিশেষ ভোজ। বিভিন্ন গণমাধ্যমের অফিসে পাঠানো হয়েছে মিষ্টি। ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন্স’ লেখা টি-শার্ট বানিয়েছে বিসিবি। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সেই টি-শার্ট গায়ে জড়িয়ে বিশ্বজয়ীদের অপেক্ষায় রয়েছেন। উল্লাসে মেতেছেন তারা।

এই যুবাদের অভিভাবক মূলত বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগ। এই বিভাগের চেয়ারম্যান বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন গতকাল দুপুরে আসেন বিসিবিতে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দলের আগেই ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। বিসিবিতে পা রেখে ফুলেল অভ্যর্থনা পেয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

বিসিবি কার্যালয়ের দোতলায় গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগে কিছুটা ভিড় লক্ষ্য করা গেল গতকাল। গণমাধ্যম কর্মীরাও ঢুঁ মারলেন এই বিভাগে। বিসিবি কর্মকর্তা, সাংবাদিক মিলে বেশ কিছুক্ষণ চলল চ্যাম্পিয়নদের বন্দনা। এর মাঝেই যুবাদের গতকাল রাতে থাকার বন্দোবস্ত, রাতে বিশেষ ডিনারের আয়োজন করেছে গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগ। বিসিবি একাডেমিতেই রাতটা থাকবেন ক্রিকেটাররা। রাতে সেখানেই ডিনার।

জানা গেছে, এরই মধ্যে অধিনায়ক আকবরের বাবা-মা ঢাকায় এসেছেন। রংপুরের একই এলাকার বাসিন্দা বলে তারা ঢাকায় এসে উঠেছেন যুব দলের সাবেক অধিনায়ক সোহরাওয়ার্দী শুভর বাসায়। আজ সকালে বিমানে চড়ে বিশ্বকাপ জয়ী ছেলেসহ তারা ফিরে যাবেন রংপুরে।

প্রায় এক মাস দেশের বাইরে ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দেশে নামার পর যুব দলের ক্রিকেটার, কোচদের স্বজনদের কাছে ফেরার ব্যবস্থাও শেষ করেছে গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগ। আজ সকাল থেকে বিমানে, বাসে করে পরিবারের কাছে ফিরবেন বিশ্বজয়ীরা। ক্রিকেটারদের মধ্যে ৯ জন ক্রিকেটার ফিরবেন বিমানে। আর চার জন ক্রিকেটার বাসে করে বাড়ি ফিরবেন। কয়েকজন ঢাকায় থাকবেন।

পেসার শরীফুল ইসলাম, অধিনায়ক আকবর আলী এবং আরেক পেসার শাহীন আলম বিমানে যাবেন সৈয়দপুর। সেখান থেকে স্ব-স্ব ঠিকানায় যাবেন তারা। বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদের গন্তব্য কক্সবাজার। এ ছাড়া চট্টগ্রামে যাবেন পারভেজ হোসেন ইমন এবং শাহাদাত হোসেন। তানজিম হাসান সাকিব যাবেন সিলেটে। মেহরাব হোসেন রাজশাহী এবং অভিষেক দাস যশোর যাচ্ছেন বিমানে। বাসে করে বগুড়া যাচ্ছেন তানজিদ হাসান তামিম এবং তৌহিদ হূদয়।

চাঁদপুরগামী বাসে চড়বেন শামীম হোসেন এবং সেমিফাইনালের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদুল হাসান জয়। বাসে করে কুমিল্লা যাচ্ছেন বাংলাদেশ যুব দলের ফিল্ডিং কোচ ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স এবং বোলিং কোচ মাহবুব আলী জাকি।