স্পোর্টস রিপোর্টার
বঙ্গবন্ধু বিপিএল শেষ হওয়ার পর এক মাস অতিবাহিত হতে চলেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধায় আয়োজিত বিপিএলের বিশেষ এই আসরে অংশ নিয়েছিল সাতটি দল। যার মধ্যে ছয়টি দলের টিম স্পনসর পেয়েছিল বিসিবি। একমাত্র কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স দলটি বিসিবির তত্ত্বাবধানে ছিল। নিজস্ব অর্থায়নে এই আসর আয়োজন করেছিল বিসিবি। শুধু স্পন্সরদের কাছ থেকে স্পনসর শিপ বাবদ টাকা নিয়েছিল।
বিপিএল শেষ হলেও টিম স্পন্সররা বিসিবির পাওনা পরিশোধ করেনি। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ছয় টিম স্পন্সরের অনেকেই পুরো টাকা দেয়নি বিসিবিকে। ৬ কোটি টাকা করে প্রতিটি দলের স্পনসরশিপ বিক্রি করেছিল বিসিবি। নিয়ম ছিল পুরো টাকা দিয়েই টিম স্পনসর হবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান।
স্পন্সরদের কাছ থেকে পুরো টাকা না পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বিপিএলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক। গতকাল জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘অনেক দল টাকা দেয়নি, দিয়ে দিবে। অনেকে দিচ্ছে। এটা তাদেরকে দিতে হবে।’
এক বছরের চুক্তিতেই বঙ্গবন্ধু বিপিএলে যুক্ত হয়েছিল স্পনসর প্রতিষ্ঠানগুলো। শুধু চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জাসের্র স্পনসর আকতার ফার্নিশার্সের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পারে বিসিবি। কারণ ষষ্ঠ আসরের পর দলটির নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ডিবিএল গ্রুপ সরে দাঁড়িয়েছে বিপিএল থেকে। এছাড়া যমুনা ব্যাংক ঢাকা প্লাটুনের, প্রিমিয়ার ব্যাংক খুলনা টাইগার্সের, জেভিনি ফুটওয়্যার সিলেট থান্ডারের, আইসিপি চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী রয়্যালসের ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস রংপুর রেঞ্জার্সের টিম স্পনসর ছিল।
