বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য কিছুটা কমেছে। তবে তা দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রভাব ফেলবে না। চীন খুব শিগিগরই সংকট কাটিয়ে উঠবে। চীন আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। গতকাল বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিসিসিআইয়ের সভাপতি গাজী গোলাম মর্তুজা।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘কয়েক বছর আগে চীন সার্স ভাইরাস সফলভাবে মোকাবিলা করেছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করা হচ্ছে। চীনের রয়েছে আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও সক্ষমতা। বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপ নিয়ে আমরা মোকাবিলা করব। চীন অল্প সময়ের মধ্যেই সংকট কাটিয়ে উঠবে।’
রাষ্ট্রদূত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন বড়ো উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত প্রকৌশলী ও কর্মীদের ১০ শতাংশ চীনে ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছে। তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে আসবে। এদের কারণে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা হবে না।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে চীনা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর লিউ ঝি হুয়া, বিসিসিসিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মৃধা বেনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মামুন মৃধা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিসিসিসিআইয়ের সভাপতি গাজী গোলাম মর্তুজা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, চীনের অর্থনীতির ওপর যে কোনো আঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বড়ো ধরনের প্রভাব ফেলে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে অল্প সময়ের মধ্যেই অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। গত দুই মাসে বাংলাদেশ ও চীনের বাণিজ্য কিছুটা কমেছে। ভবিষ্যতে সংকট কেটে গেলে বেশি আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
