আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নীল নকশা অনুযায়ী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, হামলা, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে আওয়ামী লীগের পাঁচ জন নিহত এবং ২৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মী-সমর্থক গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। শত শত নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বাড়ি ও দোকানপাটেও হামলা করা হয়েছে। আবার নিজেরাই সহিংসতা সৃষ্টি করে নির্বাচন কমিশনে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করছে। গতকাল রবিবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ শুধু বিএনপিকে বলছি না। তাদের সঙ্গে জামায়াত, যুদ্ধাপরাধী ও বাংলা ভাইয়ের শিষ্যরা জুটেছে। নির্বাচন ঘিরে এক সাথে তারা চরমপন্থা বেছে নিতে পারে। সেজন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে।
এইচটি ইমাম বলেন, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুযায়ী নির্বাচনের মাঠে না থেকে আওয়ামী লীগসহ সকল গণতান্ত্রিক দলের ও জোটের অফিস ভাঙচুর, মিছিলে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করছে বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্ট। ২৪টি জায়গায় হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়েছে, ১১টি গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়েছে, দুটি পুলিশ ভ্যানেও হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে আওয়ামী লীগের গাড়িবহরে হামলা, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপসহ নানা নাশকতা চালানো হচ্ছে।
বিএনপি-জামায়াত ২০০১ সালের মতো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করেছে জানিয়ে এইচটি ইমাম বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং তাদের উপর হামলা করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে রিপোর্ট আসছে।
এইচটি ইমাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার পক্ষে এবার ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ আর দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসী জঙ্গিবাদের দানকারী অর্থ পাচারকারীদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আমি বিশ্বাস করি আগামী ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জনগণ তাদের সুচিন্তিত রায়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারও নির্বাচিত করবে।
