স্পোর্টস রিপোর্টার
জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাম্প সিলেটে করার কথা ভাবছে ফুটবল ফেডারেশন। কারণ জাতীয় দলের পরবর্তী খেলা সিলেটে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে বাফুফে। এএফসি থেকে একটা প্রাথমিক অনুমতিও রয়েছে। তবে চূড়ান্ত অনুমতি পেলে আরো এগিয়ে যাবে বাফুফে। আগামী ২৬ মার্চ কাতার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা আফগানিস্তানের বিপক্ষে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলা যদি সিলেটে হয় তাহলে সেখানেই ফুটবল ক্যাম্প করতে চায় বাফুফে। আগেই চলে যাবেন ফুটবলাররা। ১০ দিনের ক্যাম্প হতে পারে। এরই মধ্যে বাফুফের সঙ্গে জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডের কথা হয়ে আছে। জেমি এখন দেশের বাইরে ছুটি কাটাচ্ছেন। ফিরবেন ২০ ফেব্রুয়ারি। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ গতকাল বিকালে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন জেমি ১৯ ফেব্রুয়ারি রওনা হবেন। আশাকরি ঢাকায় পৌঁছাবেন ২০ ফেব্রুয়ারি সকালেই।’
কোচ ফিরলেই সবকিছু নির্ধারণ হয়ে যাবে। কারণ ঢাকায় ফিরেই ন্যাশনাল টিম ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন কোচ।
জানা গেছে, সিলেটে যদি খেলা হয় তাহলে ১০ দিনের একটা ক্যাম্প সিলেটে চান কোচ। কারণ এখান থেকে যাওয়া-আসার ভেন্যুও পরিবর্তন, অনুশীলন মাঠের পরিবর্তন যেহেতু হবেই তাহলে আগেভাগেই সিলেটে চলে যাওয়া ভালো মনে করছেন কোচ। কোচের এমন চাওয়ার কথাও এরই মধ্যে ন্যাশনাল টিমস কমিটির কানে তুলে দিয়েছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক। কমিটিও কোচের পরিকল্পনায় দ্বিমত করছেন না। সিলেটে যদি খেলতেই হয় তাহলে সেখানেই ক্যাম্প করা ভালো। আর তা ছাড়া ২৬ মার্চের ম্যাচের পরই ৩১ মার্চ দোহায় কাতারের বিপক্ষে ফিরতি ম্যাচ। দুই ম্যাচের মাঝখানে হাতে সময় কম। কারণ ম্যাচে আগে ঢাকা হতে সিলেটে যাওয়া, সেখানে ম্যাচ খেলা। আবার সিলেট থেকে ঢাকায় আসা। ঢাকা হতে দোহায় যাওয়া, এসবে ভ্রমণক্লান্তি ভর করতে পারে। ন্যাশনাল টিম ম্যানেজম্যান্ট কমিটি এটাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে। কোনো ভাবেই যেন একটা দিনও নষ্ট না হয়, তার জন্য পুরো পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেই অনুশীলনে ঝাঁপাবেন জেমি ডে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে সিলেট ভেন্যুর চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসের সুর। তিনি মনে করছেন ফিফার চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে। কারণ ভেন্যুর অনুমোদন পেতে যে সব শর্ত পূরণ করতে হয় সেই আট পৃষ্ঠার শর্ত পূরণ করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই। সোহাগ বলেছেন, ‘শুধু গ্যালারিতে চেয়ার থাকার শর্তটিতে আমরা পিছিয়ে থাকব। সেটি নিয়েও খুব বেশি ভাবছি না। কারণ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে গ্যালারিতেও চেয়ার নেই। আমরা মনে করছি যদি বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের বিষয়টি মেনে নিতে পারে তাহলে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের বিষয়টিও আটকে থাকার কথা না।’
