জ্বালানির মজুত সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিপিসি

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:২৮

জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বিপিসির জ্বালানি মজুত গত জানুয়ারি মাসে ১৮ দিনে নেমে এলে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছিল। সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিলে বর্তমানে জ্বালানির মজুত ২৫/২৬ দিনে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রামের বিপিসির প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা জানান, এই মজুত পরিস্থিতি আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে ৩০/৩৫ দিনে উন্নীত হয়ে যাবে।

বিপিসির পরিচালক (অপারেশন) সরোয়ার আলম ইত্তেফাককে বলেন, বিপিসি ব্যবস্থাপনাগত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের জন্য বর্তমানে ২৫/২৬ দিনের জ্বালানি মজুত বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং আগামী পুরো মার্চ মাস জ্বালানি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। নিয়মমাফিক দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে যে পরিমাণ মজুত রাখতে হয় বিপিসি আগামী সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে সেই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে।

বিপিসির সংশ্লিষ্ট অপর একটি সূত্র ইত্তেফাককে জানায়, গত জানুয়ারিতে জ্বালানি তেলের বিক্রি বেশি হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে মজুত ১৮ দিনে নেমে গিয়েছিল। সংস্থার নিয়ম অনুসারে বিপিসির কাছে সবসময় ৪০ দিনের জ্বালানি মজুত রাখতে হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপিসির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দ্রুত বাজার পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং করে। আমদানিকৃত জ্বালানির জাহাজ আনার জন্য জাহাজ আগমনের তারিখ রিসিডিউল করে। বিপিসি কর্তৃপক্ষ প্রতি সপ্তাহেই জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আনার ব্যবস্থা নেয়। নতুন রিসিডিউল অনুসারে মাসে ১৫/১৬টি করে পরিশোধিত               জ্বালানিবাহী জাহাজ আসতে শুরু করেছে।

সূত্রটি আরো জানায়, বর্তমান সময়ে প্রতি বছর দেশে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৫০ লাখ মেট্রিক টন। কেরোসিনের বার্ষিক চাহিদা ২ লাখ মেট্রিক টন। বিমানের জ্বালানি জেপি-১ (জেট ফুয়েল)-এর চাহিদা ৫ লাখ মেট্রিক টন, অকটেনের চাহিদা ৩ লাখ মেট্রিক টন।