১৫-১৬ নভেম্বর রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘আন্তর্জাতিক ডেটা সেন্টার সামিট ২০১৮’ তে যোগ দিতে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ইতালি, মালয়েশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের ডেটা সেন্টার বিশেষজ্ঞরা এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। বর্তমান বিশ্বে তথ্য সুরক্ষিত রাখা, আদান-প্রদান ও তথ্যের সঠিক ব্যবহারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এই তথ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে উপযোগী রক্ষণাগার হচ্ছে ডেটা সেন্টার। বর্তমান সরকার জনগণের তথ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে টায়ার ফোর ডেটা সেন্টার স্থাপন করছে।
আন্তর্জাতিক ডেটা সেন্টার সামিট ২০১৮ এর আয়োজক প্রতিষ্ঠান ডিসিআইকন লি. গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে প্রচুর জনশক্তি রয়েছে। এ জনশক্তি ভাণ্ডারই আমাদের মূল শক্তি এবং অনুপ্রেরণার ক্ষেত্র। এই শক্তি ভাণ্ডারকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে আমাদেরকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পদচারণ করতে হবে। ডেটা সেন্টার পরিমণ্ডলে বিশ্বের যারা নিয়ন্ত্রক তাদের সংস্পর্শে আসতে হবে। তাদের সংস্পর্শে আসার মোক্ষম ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে ডিসি আইকন ডেটা সেন্টার টেকনোলজি সামিট।’
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ডেটা সেন্টার বিশেষজ্ঞগণের সম্প্রতির একটি গবেষণায় বলা হয়েছে যে, ‘অদক্ষ, অনগ্রসর কারিগরি সঞ্চালক নিয়োগ বা প্রয়োগ, আধুনিক বিজ্ঞানের শক্তির উত্স বিদ্যুত্ খাতকে যুগোপযোগী করে ব্যবহার করতে না পারা ডেটা সেন্টারের অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ এই বিষয়টিকে সামনে রেখে ডেটা সেন্টারে উত্সাহী কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্ম বিধায়ক, সঞ্চালক বা ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার জন্য সামিটে ব্যবস্থা রেখেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। সামিটে অংশগ্রহণ করতে চাইলে আগ্রহীরা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারেন www.dcicon.com.bd থেকে। আগ্রহীদের জন্য সামিটেও রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়।
