কিচেন বা রান্নাঘরে ব্যবহার হয় যেসব গ্যাজেটস সেগুলোর মধ্যে ওভেন এবং ফ্রিজের গুরুত্ব অনেক বেশি। শহুরে জীবনে গরমকালে পেটের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার একটি প্রধান কারণ অপরিষ্কার ফ্রিজ। ব্যস্ত গৃহিণীরা আজকাল সপ্তাহ খানেকের খাবার একসঙ্গে রান্না করে ফ্রিজে রাখেন। তারা জানেন না, এই খাবার দুই দিনের মাথায় নষ্ট হয়ে যায়। জন্ম নেয় ব্যাকটেরিয়া। তবে একটি পরিষ্কার ফ্রিজ এই ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে অনেকখানি। আর সেজন্য যেসব কৌশল অবলম্বন করতে পারেন—
l প্রথমেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী নবটি বন্ধ করে নিন। ফ্রিজের পানি জমে যে ট্রে’তে, সেটিও বের করে পানি সরিয়ে নিন।
l বাজারে যে তরল সাবান (লিক্যুইড সোপ) পাওয়া যায়, সেটি কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। ওই পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে নিন ফ্রিজের তাক, ড্রয়ারসহ সব টুকিটাকি অংশ।
l এরপর ঠাণ্ডা পরিষ্কার পানিতে ফ্রিজের তাক, ড্রয়ার ইত্যাদি অন্তত দুবার ধুয়ে ভালোমতো মুছে নিন। এক্ষেত্রে শুকনো তোয়ালে বা নিউজপেপার কিংবা টিস্যু ব্যবহার করবেন।
l একইভাবে ধুয়ে মুছে নিন ফ্রিজের ভেতরের অংশ। খেয়াল রাখবেন ফ্রিজে যেন পানির একটি ফোঁটাও না থাকে।
l সব তাক ও ড্রয়ার ধুয়ে-মুছে সেট করুন আবার ফ্রিজে। চালু করার অন্তত ১৫ মিনিট পর খাবারগুলো আবার ফ্রিজে রাখবেন। সপ্তাহে অন্তত একদিন ফ্রিজ এভাবে পরিষ্কার করবেন।
l ফ্রিজে অতিরিক্ত খাবার পানি রাখবেন না, এতে ফ্রিজের ভেতরে পানি জমে ব্যাকটেরিয়া বাড়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।
l রক্ষণাবেক্ষণের ওপরেই নির্ভর করে ফ্রিজ আপনার খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করবে। যেনতেনভাবে ফ্রিজ ব্যবহার না করাই ভালো।
l ফ্রিজের দরজার তাকে পানির বোতাল বা ভারী কিছু রাখবেন না। অনেক ফ্রিজেই ডালা না খুলে পানি ও বরফ বের করার ব্যবস্থা থাকে। তাই ফ্রিজ কেনার আগে এসব বিষয় খেয়াল করে নেওয়া উচিত।
