একই পরিবারের আট জন দগ্ধ, বৃদ্ধার মৃত্যু

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:৪৬

সিদ্ধিরগঞ্জে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের নারী শিশুসহ আট জন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে নুরজাহান বেগম (৭০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। অন্য দগ্ধরা হলেন নুরজাহানের ছেলে কিরন (৫০), কিরনের ছেলে ইমন (২২) ও আপন (৮), কিরনের ছোটো ভাই হিরন (৩০), হিরনের স্ত্রী মুক্তা (২০), তার শিশুকন্যা ইলমা (২) ও ভাগিনা কাউছার (১৪)। গতকাল সোমবার ভোরে সাহেবপাড়া এলাকায় ফারুকের পাঁচ তলা বাড়ির নিচ তলায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ও আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ বার্ন ইউনিটে পাঠায়। চিকিত্সাধীন অবস্থায় নুর জাহানের মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা যায়, দগ্ধ সাত জনের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিরন ৭০ শতাংশ, ইমন ৪৫ শতাংশ ও কাওছারের ২৫ শতাংশ শরীর আগুনে ঝলসে গেছে । দগ্ধ কিরনের স্ত্রী লিপি আক্তার জানান, শীতের কারণে সারা রাত ঘরের সব দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে রান্নাঘরের গ্যাসের চুলার চাবি ঠিকমতো বন্ধ না করায় সারা রাত গ্যাস লিক করে ঘরে জমে থাকে। ভোরে চুলা ধরাতে কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে চার রুমে আগুন ছড়িয়ে          পড়ে আট জনই দগ্ধ হন। তিনি আরো জানান, এ এলাকায় প্রায় সময়ই গ্যাস চাপ থাকে না। হয়তো গ্যাস সরবাহ না থাকার সময় কেউ চুলার চাবি ঘুরিয়ে তা বন্ধ করতে ভুলে যায়। নিয়মিত গ্যাসের চাপ না থাকায় অসাবধানতায় এ ভুলের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আদমজী ইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহজাহান জানান, গ্যাসের চুলা সারা রাত চালু থাকায় চারটি রুমে গ্যাস জমে ছিল। সকালে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে চার রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।