বাংলা
মো. সুজাউদ দৌলা, সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
তৈলচিত্রের ভূত (গল্প)
প্রশ্ন ৯। নগেনের মামা মারা যাওয়ার সময় কী উইল করে রেখে গিয়েছিলেন?
উত্তর: নগেনের নামে মোটা অঙ্কের টাকা।
প্রশ্ন ১০। নগেনের মামাদের লাইব্রেরিটি কোন আমলের?
উত্তর: নগেনের দাদা মশায়ের আমলের।
প্রশ্ন ১১। লাইব্রেরির দেয়ালে কতটি তৈলচিত্র টাঙানো ছিল?
উত্তর: তিনটি।
প্রশ্ন ১২। নগেন দ্বিতীয়বার কখন তৈলচিত্রকে প্রণাম করতে গেল?
উত্তর: দুপুরবেলা।
প্রশ্ন ১৩। পরাশর ডাক্তার কখন নগেনকে বাইরে ঘরে অপেক্ষা করতে বলেন?
উত্তর: রাত্রি বারোটার সময়।
প্রশ্ন ১৪। তৈলচিত্রটি দিনের বেলায় কীরূপ থাকে?
উত্তর: নিস্তেজ হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ১৫। কখন তৈলচিত্রটির তেজ বাড়ে?
উত্তর: রাতের বেলায়।
প্রশ্ন ১৬। নগেনের মাথার তৈলচিত্রটি কে আঁকিয়েছিলেন?
উত্তর: নগেনের মামা নিজে।
প্রশ্ন ১৭। পরাশর ডাক্তার তৈলচিত্রের ফ্রেম স্পর্শ করা মাত্র কী হলো?
উত্তর: বৈদ্যুতিক আঘাতে তার শরীরটা ঝনঝন করে উঠল।
প্রশ্ন ১৮। রূপার ফ্রেমটা নগেনের মামা সিন্দুকে তুলে রেখেছিলেন কেন?
উত্তর: চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে।
প্রশ্ন ১৯। নগেনের মামাতো ভাই কোথায় ভর্তি হয়েছিল?
উত্তর: ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।
প্রশ্ন ২০। ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
প্রশ্ন ২১। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
উত্তর: বিজ্ঞান বিভাগের।
