রংপুরের গানের পাখি

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৮:৩২

গো লা ম  মো স্ত ফা  আ ন ছা রী,  রংপুর

 

রংপুর মহানগরীর জাহাজ কম্পানি মোড়ের বাসিন্দা মাহমুদা আক্তার মিতু। তিনি একজন সফল নারী। একইসঙ্গে তিনি একজন সফল মা ও সফল ব্যবসায়ী। তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি সেরা কণ্ঠশিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে নিয়েছেন অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে দেশসেরার পুরস্কার।

মাহমুদা আক্তার মিতু চার বছর বয়স থেকে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে গান শিখেছেন পিতা মরহুম মাহবুবুর রহমানের কাছে। সংগীতের তালিম নিয়েছেন ওস্তাদ রনজিত্ কুমার রায়, জিয়াউল হক নিপু ও তমালকান্তি লাহেরীর কাছে। এছাড়া তালিম নিয়েছেন শিশু একাডেমিতে, রংপুর শিল্পকলায়। রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকেই তিনি অংশ নেন বিভিন্ন সংগীত প্রতিযোগিতায়। ২০১০ সালে বাংলালিংক ভাওয়াইয়া প্রতিযোগীতায় রংপুর বিভাগের আট জেলায় সাত হাজার প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের হাত থেকে পুরস্কার নিয়েছেন ২০১১ সালে। ২০১৪ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত হামদ-নাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সারা দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন।

২০১৯ সালে জনপ্রিয় এক রিয়েলিটি শো’র প্রায় সাত মাস ধরে চলা ১৫ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। আধুনিক, লোকসংগীত, ভাওয়াইয়া গান করেন তিনি। স্টেজ পারফর্ম করেছেন হাজারেরও বেশি।

রংপুর বিভাগের বাইরে চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জে স্টেজ পারফর্ম করেছেন। দেশের বাইরে পারফর্ম করেছেন ভারতে। ২০০৪ সাল থেকে রংপুর বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে এবং বিটিভিতেও গান করেন তিনি।

মাহমুদা আক্তার মিতু বলেন, ‘শুরুতে আমার গানের অনুপ্রেরণা ছিলেন আমার পিতা। বিয়ের পর সেই অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন আমার স্বামী। আমার স্বামী রংপুরের অতি পরিচিতজন তানভীর হোসেন আশরাফী। আমি চাই শ্রোতাদের ভালো এবং মৌলিক কিছু গান উপহার দিতে। যা আমাকে বাঁচিয়ে রাখবে, এটাই আমার চেষ্টা’।