খাবারে অ্যালার্জি

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৫২

ডা. তানজিয়া নাহার তিনা

জীবনের যেকোনো সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভোগেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। সাধারণত চুলকানি, লাল চাকা হয়ে ত্বকে ফুলে উঠা, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায় অ্যালার্জির কারণে। কারো কারো জন্য অ্যালার্জির সমস্যা সামান্য হলেও অনেকের কাছে এটি অসহনীয় সমস্যা। মূলত আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকে ক্ষতিকর গণ্য করে প্রতিরোধ করে। আর এর ফলে শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া ঘটে যাকে আমরা অ্যালার্জি বলে থাকি। বিভিন্ন কারণে অ্যালার্জি হতে পারে। পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের পাশাপাশি আমাদের রোজকার খাবারগুলোও হতে পারে অ্যালার্জির প্রধান কারণ। সাধারণত বলা হয়, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর মাংস, ডিম ইত্যাদি খাবারগুলো অ্যালার্জির জন্য দায়ী। তবে ব্যক্তি হিসেবে অ্যালার্জির কারণ বিভিন্ন হয়ে থাকে। অনেকের বিভিন্ন শাকসবজি যেমন : পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া, শিমের বিচি, পালংশাক, গাজর, মাশরুম ইত্যাদিতে অ্যালার্জি থাকে। আবার অনেকেই গরুর দুধ কিংবা বাদাম খেলে অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগেন। এছাড়া সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, শামুক জাতীয় খাবার, গম, বার্লি ইত্যাদি খাবারেও অ্যালার্জি হতে পারে। তাই খাবারের কারণে অ্যালার্জি হলে উক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। এছাড়া তীব্র অ্যালার্জি কিংবা বারবার আক্রান্ত হলে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া খুবই প্রয়োজন।

লেখক : চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ