স্পোর্টস রিপোর্টার
এগিয়ে থেকেও যে আবাহনী গোল হজম করবে, সেটা খেলার ধারাই বলে দিচ্ছিল। গতকাল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলাটিতে ব্রাদার্স ইউনিয়ন আশার প্রদীপটাকে নিভুনিভু করে জ্বালিয়ে রেখে লড়াই চালাচ্ছিল। বুঝতে পারেননি আবাহনীর কর্মকর্তারা। ফলে ব্রাদার্সের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ছাড়তে হয়েছে আবাহনীকে।
সিলেটে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষেও পিছিয়ে পড়া ব্রাদার্স ১-১ গোলে ড্র করেছিল। কাল দ্বিতীয় ম্যাচেও আবাহনীর বিপক্ষে একই কৃতিত্ব দেখাল দলটি।
ব্রাদার্সের কোচ খেলা শেষে বললেন, ‘আমার প্লেয়াররা প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট ঘুমিয়ে ছিল। গোল হজম করেছে প্রথমার্ধে। দ্বিতীয়ার্ধে ফুটবল খেলেছে। আমি দেখলাম, আমাকে ম্যাচ জিততে হলে তিনবার ৪৫ মিনিট করে দরকার। প্রথম ৪৫ মিনিট ঘুমিয়ে থাকবে, তাই এ সময়টায় আমরা প্রীতি ম্যাচ খেলব। আর দ্বিতীয়ার্ধের ৪৫ মিনিটে গোল করব। আর শেষ ৪৫ মিনিটে জয় পাব। এভাবে তো হয় না।’
পেশাদার ফুটবল লিগের গত ১২টি আসরে একবার আবাহনীকে হারিয়েছিল ব্রাদার্স। হারের জটলা থেকে এবার ড্র করে বেরিয়ে এসেছে ব্রাদার্স। তাই তারাও খুশি।
অনেক দিন পর আবাহনী-ব্রাদার্স উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। আবাহনী গত লিগের রানার্সআপ। ব্রাদার্স কোনো রকমে অবনমন ঠেকিয়ে ১১ নম্বরে ছিল। এবার তারা জার্মানিতে বসবাসরত ইরানি কোচ রেজা পাকসেকে এনে দলটাকে দাঁড় করায়। অনেক সুযোগ নষ্টের পর হাইতির ফরোয়ার্ড বেলফোর্ট ৩৬ মিনিটে আবাহনীকে এগিয়ে দেন ১-০। এর আগে নাইজেরিয়ান সানডের শট গোললাইন থেকে ফিরে আসে। ৭৬ মিনিটে উজবেক ফুটবলার ওতাবেক কোনাকুনি শটে আবাহনীর গোলকিপার সোহেলকে পরাস্ত করেন ১-১। এই ওতাবেকই সিলেটে শেখ রাসেলের বিপক্ষে গোল শোধ করে পয়েন্ট কেড়ে নিয়েছিলেন। এবারের লিগে শুরুতেই অনেক অঘটন। চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়েছে আরামবাগ, মোহামেডান হেরেছে সাইফের কাছে।
আজকের খেলা :
আরামবাগ ও মুক্তিযোদ্ধা, ৬টা ৩০, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। সাইফ স্পোর্টিং ও চট্টগ্রাম আবাহনী, ৩টা ১৫, ময়মনসিংহ।
