ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতা কামরুল হাসান মিন্টু আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এ সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু।
কামরুল হাসান মিন্টু বর্তমানে পাবনা সদর পৌরসভার মেয়র। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির এই পৌর মেয়র ১৯৯৪ সালে ছাত্রলীগ নেতা রঞ্জু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। ১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচনের কয়েক মাস আগে ছাত্রলীগের তত্কালীন আরেক নেতা আজাদকে হত্যা করা হয়। রঞ্জুর ভাই ছিলেন আজাদ। কামরুল হাসান মিন্টুর আওয়ামী লীগে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।
কামরুল হাসান মিন্টু গতকাল রাতে ইত্তেফাককে জানান, আওয়ামী লীগে যোগদান করে তিনি ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছেন। ছাত্রলীগ নেতা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। জানা গেছে, ছাত্র জীবনে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ করতেন মিন্টু। তবে কোনো পদ পাননি। ১৯৯২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন মিন্টু। পরবর্তীতে তিনি পাবনা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
