আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের পক্ষে ন্যায়বিচার চাইতে সুপরিচিত মানবাধিকার আইনজীবী আমাল ক্লুনিকে নিয়োগ করেছে মালদ্বীপ। রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলার জন্য মালদ্বীপের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। মালদ্বীপ সরকার জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে মালদ্বীপ।
বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার এবং রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা চেয়ে গত নভেম্বরে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে গাম্বিয়া। জাতিসংঘের আদালত অন্তর্বর্তী আদেশ দেয় যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর লাগাম টেনে ধরতে হবে। সেনাবাহিনী কিংবা অন্য যে কোনো ধরনের নিরাপত্তা বাহিনী যাতে গণহত্যা না চালায় কিংবা উসকানি না দেয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আমাল ক্লুনি এর আগে মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের পক্ষে জাতিসংঘে আইনি লড়াই করেছেন। সেখানে তিনি নাশিদের পক্ষে জয়লাভ করেন। নাশিদ বর্তমানে মালদ্বীপ জাতীয় সংসদের স্পিকার।
জাতিসংঘের আদালত রোহিঙ্গাদের পক্ষে যে আদেশ দিয়েছে, সেটিকে স্বাগত জানিয়েছে মালদ্বীপ সরকার। ক্লুনিকে উদ্ধৃত করে মালদ্বীপ সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিয়ানমারে সংগঠিত গণহত্যার জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এখনো অনেক পথ বাকি। আদালতের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়বিচারের জন্য চেষ্টা করব।
