নীলফামারীতে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহজনক দুই শিবির কর্মী ও এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটকে করে।
আটককৃতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ (৫২), শিবির কর্মী মামুনুর রশীদ (২০) ও আব্দুল মুহাম্মদ (১৯)। এ ঘটনায় নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগ জামায়াত শিবিরকে দায়ি করছে।
রামনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জানান, ওই ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ডাঙ্গাপাড়া মোটরবাজারে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে গত সোমবার গভীর রাতে আগুন লাগালে টিনের ঘরসহ অফিসের ভেতরে থাকা বঙ্গবন্ধুর ছবি, শেখ হাসিনার ছবি, নৌকা প্রার্থীর পোস্টার, চেয়ার-টেবিল, ক্ষয়ক্ষতি হয়। এখানে আসাদুজ্জান নূরের জনপ্রিয়তা রয়েছে বেশি। এই জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা এ অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসীরা।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার জন্য জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ও বিএনপির নেতাকমীরা উঠে পড়ে লেগেছে। এঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।
আরো পড়ুনঃ ইন্দোনেশিয়ায় সুনামিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪২৯
নীলফামারী থানার ওসি মোমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের তিনকর্মীকে আটক করা হয়েছে।’ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য যে, গত সোমবার গভীর রাতে সদরে রামনগর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়াডের ডাঙ্গাপাড়া মোটরবাজারে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়।
ইত্তেফাক/কেকে
