কুলাউড়ায় খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে এসে বিপাকে পড়েছে কুলাউড়ার কৃষকরা। অনেক কৃষককেই ধান নিয়ে গুদামের সামনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এ সময় তারা ধান ক্রয়ের সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানান।
ধান বিক্রয় করতে আসা কৃষক মিফতাউজ্জামান চৌধুরী, ইমতিয়াজ আহমদ, মবশ্বির মিয়া জানান, এই বছর আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ধান বিক্রয়ের জন্য আসা অনেক কৃষককে তিন-চার দিন গুদামের সামনে ট্রাকভর্তি ধান নিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু গুদাম কর্তৃপক্ষ তাদের ধান বুঝে নিতে বিলম্ব করছে। ফলে ধান বিক্রির অপেক্ষায় থেকে তাদের পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া, কুয়াশা ও বৃষ্টির কারণে ধান নিয়ে গুদামের সামনে অপেক্ষারত কৃষকেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপজেলার ১ হাজার ৫০০ কৃষক গুদামে ধান বিক্রি করেছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ২ হাজার ২০০ কৃষকের কাছ থেকে লটারির মাধ্যমে সরাসরি এক টন হারে গত ৫ ডিসেম্বর থেকে ধান কেনা শুরু হয়। তখন কৃষকরা জানান, এত অল্প পরিমাণ ধান নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উপজেলা সদরের গুদামে ধান পরিবহন ও যাতায়াত খরচে তাদের পোষাবে না। প্রথম দিকে তেমন সাড়া না পাওয়া গেলেও পরে কর্তৃপক্ষ প্রতি কৃষকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ তিন টন ধান ক্রয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানালে গুদামে কৃষকদের ভিড় বাড়তে থাকে।
খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-এলএসডি) মো. শাহিন মিয়া জানান, উপজেলা সদরের তিনটি খাদ্য গুদামের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৫০০ টন। ইতিমধ্যে এসব গুদাম ভরে গেছে। গুদাম থেকে এক দিকে শ্রীমঙ্গলের রেশমী অটো রাইস মিলে ধান পাঠানো হচ্ছে অন্য দিকে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে গুদামে উঠানো হচ্ছে।
