ঝিনাইদহে চালের দাম ফের বেড়েছে। প্রকারভেদে কেজিপ্রতি তিন টাকা থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে চালের দাম এক দফা এবং তৃতীয় সপ্তাহে আরেক দফা বাড়ে।
ঝিনাইদহ শহরের নতুন হাটখোলার চাল ব্যবসায়ী মো. রবিউল আওয়াল জানান, সপ্তাহ খানেক আগে মোটা চাল স্বর্ণা প্রতি কেজি বিক্রি হয় ২৬ টাকা থেকে ২৮ টাকা। তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। বিআর-৫১ প্রতি কেজির দাম ছিল ৩০-৩২ টাকা। কেজিপ্রতি দুই-তিন টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৪-৩৫ টাকা কেজি দরে। বিআর-২৮ চাল প্রতি কেজি ৪০-৪১ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল। তা এখন ৪৪-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কথিত মিনিকেট প্রতি কেজির দাম ছিল ৪৫-৪৬ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে। আর বাসমতি চালের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা। তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৫৬ টাকা কেজি দরে। এদিকে চাল নিয়ে প্রতারণাও হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বি আর-২৮, বি আর-৫১ এবং হাইব্রিড চাল পালিশ করে মিনিকেটের বস্তায় ভরে মিনিকেট বলে বিক্রি করছে। বর্তমানে কৃষকের হাতে ধান নেই। ধান মজুত আছে ব্যবসায়ী ও অটো চালকল মালিকদের গুদামে। তারা এবার বাম্পার লাভ করছে। হাটগোপালপুরের অটো রাইস মিল মালিক বিকাশ বিশ্বাস বলেন, বাজারে ধানের দাম চড়ে যাওয়ার জন্য চালের দাম চড়েছে। নতুন ধান না ওঠা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা নেই।
