জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে আলটিমেটাম
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও খুলনার কয়রা উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই নেতা হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে জানিয়ে সংগঠনের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, শিবির ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী অনতিবিলম্বে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ছাত্রলীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী দিনরাত মাঠে থাকবে।
ফলেই বৃক্ষের পরিচয় পাওয়া যায় জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কোনো স্থান হবে না। ছাত্রলীগের একটি নেতাকর্মী জীবিত থাকতে বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান হতে দেব না। এসময় তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিজেদের অবস্থান থেকে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, জামায়াত বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সন্ত্রাসের যে চিত্র আমরা দেখেছি তারা সেই চিত্রের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধের ঘোষণা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনিজত চন্দ্র দাস বলেন, ভিপি-জিপি কারও পেছনে দাঁড়িয়ে, কারও ছাত্রছায়ায় শিবিরের কার্যক্রম চলতে দেওয়া যাবে না।
