বিভিন্ন স্থানে শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২০, ২২:৩৬

দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টিতে আমের মুকুলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা গেছে। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

চাঁদপুর :গতকাল মঙ্গলবার সকালে হঠাত্ এ বছরের প্রথম প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি হয়। প্রায় ১২ মিনিট স্থায়ী প্রবল শিলাবৃষ্টির কারণে জেলার শীতকালীন ফসল বিশেষ করে আলু, মরিচ, খিরাই, তরমুজ, ভুট্টা, লাউ, শিম ইত্যাদি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অধিকাংশ আম গাছের মুকুল শিলার আঘাতে পড়ে গেছে। হঠাত্ বৃষ্টির কারণে অধিকাংশ রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে   বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বৃষ্টির পানি ঢুকে বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রীর ক্ষতি হয়।

ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে শিলাসহ বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  সোমবার রাত থেকে আকাশে মেঘের গর্জন শুরু হয়, তারপর বৃষ্টি নামে। গতকাল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকে। অসময়ের এ বৃষ্টিতে গম, মসুর, মটর, ছোলা ও লাউ-কুমড়ার ক্ষতি হয়। অপরদিকে বোরো ধানের সামান্য উপকার হলেও বৃষ্টিতে আমের মুকুলেরও ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছেন শৈলকুপা উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় কুমার কুন্ডু।

নগরকান্দা (ফরিদপুর) :নগরকান্দায় হঠাত্ শিলাবৃষ্টিতে পেঁয়াজ, গম, মসুর, সরিষাসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত বছর চাষিরা পেঁয়াজের মূল্য কম পাওয়ায় এবার তা পুষিয়ে উঠতে পেঁয়াজের আবাদ শুরু করেছিল। এবার পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও আর মাত্র কয়েক দিন পর পেঁয়াজ ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছিল চাষি। সে স্বপ্ন চুরমার করে দিল শিলাবৃষ্টি। এতে দিশাহারা পেঁয়াজ চাষিরা। মঙ্গলবার ভোরে হঠাত্ করে ঝড়ো হাওয়াসহ ১৫ মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টির প্রায় ২০টি গ্রামে আবাদি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা গেছে। এ বছর উপজেলায় মোট সাত হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।