পানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বিএনপি। বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর জমায়েত ঘটে। মানববন্ধনে কারা হেফাজতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিত্সাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সবশেষ স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সঠিক প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করেননি বলে অভিযোগ করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিএসএমএমইউর ডাক্তারদের এদেশের মানুষ শ্রদ্ধা করে, তাদের রিপোর্টের ওপর ভরসা করে। কিন্তু তারা আজকে সত্যি রিপোর্ট দিতে পারলেন না কারণ তাদেরকে এ সরকার বাধ্য করেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটা একনায়কতন্ত্রে দেশ চলছে। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র চলছে। বর্তমান সরকারের আমলে পানির দাম পাঁচ বার বাড়ল। কিন্তু সে পানি মুখে দেওয়া যায় না। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে আট বার। কারণ পাওয়ার প্ল্যান্টের নামে তারা যে হরিলুট করছে তার ভর্তুকি দেওয়ার জন্য। এই মূল্যবৃদ্ধি বাতিল না করলে জনগণের উত্তাল তরঙ্গে সরকার ভেসে যাবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি নেতা এ বি এম মোশাররফ হোসেন, নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে। বেগম সেলিমা রহমান বলেন, একদিকে পানি, বিদ্যুত্সহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে, অন্য দিকে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হচ্ছে। সোহেল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কারণেই দেশে পাপিয়াদের উত্থান হয়েছে। আওয়ামী লীগ করে অবৈধভাবে তারা আর্থিকভাবে ফুলেফেঁপে উঠছেন।
