খেদাইমারী খাল
আমির হোসেন, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের খেদাইমারী গ্রামের এলজিআরডির খেদাইমারী ব্রিজটি ২০০৫ সালের বন্যায় ভেঙে যায়। তারপর ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও নির্মাণ হয়নি নতুন ব্রিজ। এতে সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তিতে রয়েছে দুই ইউনিয়নের ২০ গ্রামের মানুষ। সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে অসুস্থ, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, দুই পাড়ের সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া খেদাইমারী নৌকাঘাট, খেদাইমারী হাট, পাখিউড়া হাটসহ বেশ কয়েকটি হাটে প্রতিদিন পণ্য পরিবহনে ভোগান্তি পড়ে ব্যবসায়ীরা। শীতে কাদা পানি মাড়িয়ে পারাপার হলেও বর্ষাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীটি পার হতে হয় বলে জানায় শীতে কাদা পানি মাড়িয়ে পারাপার হলেও বর্ষাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীটি পার হতে হয় বলে জানায় ভুক্তভোগীরা। তারার দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানায়িছে। খেদাইমারী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া, আরিফা, মিলন বলেন, আমরা ছোটো থেকে দেখে আসছি ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। আজ পর্যন্ত নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হলো না, বন্যা মৌসুমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোটো নৌকা বা কলা গাছের ভেলা নিয়ে পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। খেদাইমারী গ্রামের কৃষক জকিমউদ্দিন বলেন, ব্রিজ না থাকায় মালামাল পরিবহন করা অনেক কষ্ট হয় ভাড়া বেশি লাগে। ১৫/১৬ বছর ধরে ব্রিজ ভেঙে গেছে এখন পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণের খবর নাই। দক্ষিণ চরখেদাইমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. হাফিজা খাতুন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা সদর সাথে আমাদের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন। বন্যার সময় ওপাড়ের শিক্ষার্থীরা স্কুলের আসতে পারে না। চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কে এম ফজলুল হক বলেন, উপজেলা প্রশাসনকে একাধিকভার অবহিত করেছি। ব্রিজ কালবার্ট বরাদ্দ দেওয়ার দায়িত্ব এমপি মন্ত্রীদের আমাদের কাজ শুধু অবহিত করা। রৌমারী উপজেলার এলজিআরডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মেজবাউল আলম বলেন, খেদাইমারী গ্রামের ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি নতুন করে নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্পে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। প্রস্তাবনাটি অনুমোদিত হলে ব্রিজটি নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
