চারটি কক্ষে গাদাগাদি করে চলছে পাঠদান

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২০, ২১:৫২

চকউজির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা

নওগাঁ সদর উপজেলার শেষ সীমানা ও রাণীনগর উপজেলার পাশে অবস্থিত চকউজির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে শ্রেণিকক্ষ সংকটে চারটি কক্ষে গাদাগাদি করে চলছে পাঠদান।

১৮৮০ সালে চকউজির গ্রামের মন্ডল পরিবারের কিছু শিক্ষা অনুরাগী এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান করে প্রথমে ছনের বেড়া ও পরবর্তীতে মাটির দুটি কক্ষ তৈরি করে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন। দীর্ঘ সময় মাটি আর বেড়ার ঘরে পাঠদান চললেও ১৯৯৩ সালে তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। দুই বছর আগে আরেকটি দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়।

অভিভাবক রোজিনা আক্তারসহ অনেকেই বলেন, নওগাঁ সদর, রাণীনগর ও বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার মোহনায় বিদ্যালয়ের অবস্থান। কিন্তু দীর্ঘদিনের শ্রেণিকক্ষ সংকটসহ বিদ্যালয়টিতে এখনো আধুনিকতার কোনো ছোঁয়া লাগেনি। আশপাশে কোনো বিদ্যালয় না থাকায় আমরা অনেকটা বাধ্য হয়েই সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছি। প্রধান শিক্ষক রাম দুলাল রবি দাশ বলেন, অনেক কষ্টে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছি। নতুন পুরাতন ভবন মিলে বিদ্যালয়ে মোট কক্ষ রয়েছে ছয়টি। এর মধ্যে একটি কক্ষে সহকারী শিক্ষকদের কমন ও স্টোররুম আর একটি প্রধান শিক্ষক ও কম্পিউটার কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অবশিষ্ট চারটি কক্ষে দুই শিফটে গাদাগাদি করে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মাহফুজুল ইসলাম মিলন বলেন, বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি। কিন্তু লাভ হয়নি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাইয়ার সুলতানা বলেন, ঐ বিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো জানা নেই। তবে অতি দ্রুত সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে সমস্যাগুলো লিপিবদ্ধ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিতভাবে জানাব।