ফেনী প্রতিনিধি
ফেনী ১ আসনে ৯ জন নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন। এ আসনে মহাজোট প্রার্থী (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের) শিরিন আখতার নৌকা প্রতীক এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মুন্সী রফিকুল আলম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। এ আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন বিধায় এ আসনটিকে ভিআইপি আসন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমপি শিরিন আখতার নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর পরই দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থী নিজে ও নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জে নৌকা প্রতীকের ভোট চেয়ে চষে বেড়াচ্ছেন। প্রার্থী বিগত পাঁচ বছর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় তার নিরলস কর্মকাণ্ডের কথা ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন। তিনি যদি আবারও নির্বাচিত হতে পারেন, তাহলে তিনি তিনটি উপজেলাকে বাংলাদেশের একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে।
অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী মুন্সী রফিকুল আলম মজনু ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর তার নেতা-কর্মীদেরকে নিয়ে তিন উপজেলায় মিছিল-মিটিং ও শোডাউন করার পর থেকে তাকে এবং তার দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তিন উপজেলার গ্রাম-গঞ্জের বাজার এলাকায় তার দলের কোনো পোস্টার ও গণসংযোগ করতে দেখা যাচ্ছে না। ফেনী ১ আসনে তিন উপজেলায় অন্য প্রার্থীরা হচ্ছেন: আনোয়ারউল্যাহ ভূঞা বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী গণফোরাম, কাজী গোলাম কিবরিয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কাজী মোঃ নুরুল আলম বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, তারিকুল ইসলাম বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, শাহিরয়ার ইকবাল বাংলাদেশ ন্যাশালিস্ট ফ্রন্ট, বিএনএফ, শেখ আব্দুল্লাহ, স্বতন্ত্র, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, প্রতীক- আপেল, তিনি গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তার নির্বাচন কর্মকাণ্ড স্থগিত করে ঢাকায় চলে যান বলে দলীয় সূত্রে জানান।
