আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, মুজিববর্ষ পালন না করা বিএনপি ও তাদের মিত্রদের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনারই পরিচয়। গতকাল শুক্রবার দুপুরে তার নির্বাচনী এলাকা কাজীপুরের শুভগাছায় পানি উন্নয়ন বিভাগের নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মুজিববর্ষ এ দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষের কাছে এখন উত্সবে পরিণত হয়েছে। অথচ বিএনপি রাজনৈতিক কারণে এর বিরোধিতা করছে। এটা নিয়ে রাজনীতি করা হীনম্মন্যতার পরিচয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো একজন মহান নেতার জন্মশতবার্ষিকী পালনের সুযোগ আমাদের জীবনে, একজন বাঙালির জীবনে বড়োই সৌভাগ্যের, বড়ো পাওয়া। তিনি বিকালে সিরাজগঞ্জ শহরে নির্মাণাধীন শহিদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের সদ্য সমাপ্ত একাডেমিক ভবন পরিদর্শন করেন। পরে তিনি মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ সার্কিট হাউসে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য, অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দানিউল হক মোল্লা দানী, অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ পান্না, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল ইসলাম প্রমুখ।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করার সুযোগ পেয়ে জাতি গর্বিত। মুজিব জন্মশতবাষির্কী অনেকের জীবনে কোনো দিন আসেনি, আর আসবেও না। এই মহান নেতার জন্মশতবার্ষিকী পালন কর্মসূচিতে বন্ধুপ্রতিম ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদি, সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, কংগ্রেসের নেত্রী সোনিয়া গান্ধীসহ বিদেশি আরো অনেক মেহমান দেশে আসবেন। অনেকে আবার স্ব-ইচ্ছায় আসবেন, তাতে কারো আপত্তি থাকা মোটেই বাঞ্ছনীয় নয়। প্রতিবেশী ভারতে রাজনীতিতে কী হচ্ছে তা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের কোনো বিষয় নয়।
