তিন ফরম্যাটেই হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ে
স্পোর্টস রিপোর্টার
ভাগ্যিস সৌম্য সরকার বল করেননি। তা করলে বাংলাদেশের এক ইতিহাস হয়ে যেত। প্রথমবারের মতো একটি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ জন পেসারকে বল করতে দেখত বাংলাদেশ। সেটা না হলেও চার পেসারের বল করার আরেকটা নজির হলো কাল মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে।
গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হলো ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদের। তিনি ৪ ওভার বল করলেন। ফলে বাংলাদেশের হয়ে গতকাল চার পেসারই বল করলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। হাসান ছাড়াও বল করলেন মুস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন ও সাইফউদ্দিন। এটা চার পেসারের বল করার ১৯তম ঘটনা।
৩৫৫ ম্যাচে বাংলাদেশ দল এই নিয়ে ১৯ বার চার জন পেস বোলারকে বল করতে দিল। তবে সত্যিকার অর্থে চার পেসারের বল করা ম্যাচের সংখ্যা বাংলাদেশের বেশি নয়। কারণ, বেশির ভাগ সময়ই চতুর্থ পেসার হিসেবে সৌম্য সরকারের মতো কেউ একজন বল করেছেন।
২০০৬ সালে টি-টোয়েন্টি শুরু করা বাংলাদেশ দল প্রথম ১০ বছরে একবার মাত্র চার পেসারের হাতেই বল দিয়েছিল টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো এই ঘটনা ঘটেছিল। হ্যামিলটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বল করেছিলেন শাহাদাত হোসেন, নাজমুল হোসেন, শফিউল ইসলাম ও আফতাব আহমেদ।
২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮; এই তিন বছরে অনেকবার দেখা মিলল এই ঘটনার। ২০১৬ সালে ৫টি ভিন্ন ম্যাচে বাংলাদেশের চার জন করে পেসার বল করেছেন। এই ৫ ম্যাচেই সৌম্য সরকার ছিলেন পঞ্চম অপশন হিসেবে। কিন্তু তিনি বল করেননি। ফলে এই ৫টি ম্যাচকেও পাঁচ পেসারের ম্যাচ বলা যায়।
২০১৭ সালে ৪টি ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে চার জন পেসার বল করেন। এর তিনটি ম্যাচেই চতুর্থ পেসার ছিলেন সৌম্য সরকার। ২০১৮ সালে আবারও ৫টি ম্যাচে চার পেসার বল করে বাংলাদেশের হয়ে। মানে এই তিন বছরেই বাংলাদেশের ১৪টি ম্যাচে ৪ পেসার বল করেছেন। এই অর্থ হলো বাকি ১৬ বছরে এই ঘটনা ঘটেছে মাত্র ৫ বার। তার মধ্যে ২০১৯ সালে ঘটেছে ২ বার। আর এইর নিয়ে ২০২০ সালে এই ঘটনা দ্বিতীয়বার দেখা গেল।
গতকাল চার পেসারের মধ্যে কেবল অভিষিক্ত হাসান কোনো উইকেট পাননি। এ ছাড়া আল আমিন ও মুস্তাফিজ দুটি করে এবং সাইফউদ্দিন একটি উইকেট পেয়েছেন।
