দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ নিয়মিতভাবে পড়ে আসছেন তানোর মুন্ডুমালা পৌর সদর এলাকার মো. লুৎফর রহমান। সাবেক অধ্যাপক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসেবে তিনি বর্তমানে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন। লুৎফর রহমান উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ‘রাজশাহী কলেজ’-এ ১৯৬৬ সালে বি.এ (পাস) শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় থেকেই নিয়মিতভাবে ইত্তেফাক পড়ে আসছেন।
লুৎফর রহমান রাজশাহী মালোপাড়া ‘ইডেন’ ছাত্রাবাসে থাকা অবস্থায় বাবার দেয়া হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে অফিসে বাৎসরিক অগ্রিম টাকা জমা দিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের গ্রাহক হন। এরপর পড়াশুনা শেষ করে গ্রামের বাড়ি মুন্ডুমালা এসে পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে ডাকযোগে ইত্তেফাক পত্রিকাটি প্রতিনিয়ত পড়তেন। তবে সেই সময়ে ইত্তেফাকে মানিক মিয়ার ‘মোসাফির’ কলামটি তার খুব ভাল লাগতো। আর সেই সময় থেকে ইত্তেফাক তার ভালোলাগার একটি পত্রিকা হয়ে যায়।
আরো পড়তে পারেন: জাল টাকাসহ জামায়াত প্রার্থীর জামাতা অধ্যাপক মিয়ারাজ আটক
কেন আপনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাটি আপন করে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, স্বাধীনতা কথাটির সাথে ইত্তেফাক পত্রিকাটি ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। এটা একটি স্বাধীনতার পক্ষের পত্রিকা। স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বিভিন্ন আন্দোলনে ইত্তেফাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ পত্রিকাটি কোন মিথ্যা কল্পকাহিনী দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে না। সম্পাদকীয়, উপ-সম্পাদকীয়, বিষয় ভিত্তিক ফিচার সংবাদ ও বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কলামগুলো তার বেশী ভাল লাগে বলে জানান তিনি। ইত্তেফাক যেন অতীতের গৌরব রক্ষার্থে পিছপা না হয় সে জন্য সম্পাদকের সজাগ থাকার অনুরোধ জানান। তিনি ইত্তেফাকের দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
