বিশ্বব্যাপী করোনা আতঙ্কের প্রভাব পড়েছে বন্দর নগরীতেও। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যেও করোনা ভীতি ও সচেতনতা লক্ষণীয়। গতকাল বুধবার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারণায় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল। পাশাপাশি করোনা নিয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্য দিয়েছেন প্রার্থীরা।
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী গতকাল নগরীর মোহরা, কালুরঘাট, ষোলশহর ওয়ার্ডে প্রচারণা চালিয়েছেন। পাশাপাশি করোনা থেকে রক্ষা পেতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সচেতনতামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ইসা, অধ্যাপক মাছুম চৌধুরী। রেজাউল করিম ইত্তেফাককে বলেন, কর্ণফুলী দখল দূষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিজয়ী হলে চট্টগ্রামকে হারানো গৌরব ফিরিয়ে দিতে কাজ করব।
এদিকে গতকাল সকালে নগরীর বহদ্দারহাট হক মার্কেট চত্বরে গণসংযোগ করেন বিএনপি প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভালো আচরণ করছে না। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, সবার আগে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। জয়ী হলে পরিচ্ছন্ন পর্যটনবান্ধব নগর গড়তে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, কাউন্সিলর প্রার্থী মাহাবুবুল আলম, ইসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী শাহনাজ হায়দার মিনু, জিন্নাতুন নেছা জিনিয়া। এ ছাড়াও ইসলামিক ফ্রন্টের এম এ মতিন মোমবাতি প্রতীক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবুল মনজুর আম প্রতীক, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ওয়াহেদ মুরাদ চেয়ার প্রতীক, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এছাড়া নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা ছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
