ঠাট্টা যুগ

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২০, ১৮:৩৮

 

জগলুল হায়দার

সময়ের লাটিমটা ঘোরে ঘুর ঘুরতি

আহা কি যে ফুর্তি হলো যুগ পূর্তি।

একযুগ মানে জানি হয় সাল বারো তে

গুনে ভুল পায় না তো ফয়সাল আর ওতে।

 

গুনে দ্যাখে ফয়সাল চার আর আটটা

যোগফলে অতঃপর এক যুগে ঠাট্টা।

সোম বুধ শনি করে দিন যায় রবিতে

ঘুম ভেঙে চোখ যায় সেই সোনা ছবিতে।

 

রবিবার ছবি বার পাতাময় মাস্তি

এই ছাড়া রবিবার কি মজায় বাঁচতি।

ফয়সাল জামি লিটু... এক মেসে চার জন

আগেভাগে হতে চায় ঠাট্টার সার্জন।

 

হকারের হাঁক শুনে লেগে যায় যুদ্ধ

মুখস্ত করে সব দু’ মলাট সুদ্ধ।

কেউ পড়ে ছড়া আর কেউ পড়ে চুটকি

ঠাট্টায় থাকে ভাই হাতি ঘোড়া উট কি!

 

জুয়েলের এডিট আর শিশিরের চিত্র

ইকবাল বাপী ব্রত ঠাট্টারই মিত্র।

শরিফ জামান দাস শফিক আলী সত্য

দেয় কতো মজা আর কতো সব তথ্য।

 

লিখে হক তাজু রানা রবিবার সামনে;

সে লেখায় পাঠকের শত প্রীতি খাম নে।

সুমন আঁকে চকমক রাঙা হয় ছড়া তো

নাতনিকে দাদুভাই শোরে তাই পড়াতো।

 

নাতনির পড়া শুনে দাদু হাসে অট্ট

একযুগে পড়ে গেলো তোদের এই ঠট্ট!

নাতনিটা কয় দাদু দেবো তবে গাট্টা

‘ঠট্ট’ কি হয় কভু এতো প্রিয় ঠাট্টা!

 

দাদু বলে ফিক ফিক বুঝে গেছি ঠিক তো

তোকে ছেড়ে রবিবারে হবো নাকি রিক্ত!

ঠাট্টাও পড়ে যাবে অচিরেই টিন এজে

লিখে তাকে হয়দারও তাই এই দিনে যে।