দখিনা মৃদুমন্দ হাওয়া মিলিয়ে গেছে। এখন বনতলে ঝরাপাতার মর্মর গান। বৃক্ষে নব কিশলয় জেগে ওঠার আভাস। বাড়ছে তাপমাত্রা। কোকিলের কুহুতান যেন ম্রিয়মাণ। শিমুল-পলাশ-কৃষ্ণচূড়ার বনে রঙের আগুন লাগানো ফাগুন প্রকৃতি থেকে গতকাল বিদায় নিয়েছে। তাপক্লিষ্ট প্রকৃতি আর খরদহনে ত্রস্ত প্রাণের দামামা বাজিয়ে এসেছে চৈত্র মাস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের মার্চ মাসের পূর্বাভাসে বলছে, এ মাসে ধেয়ে আসছে চারটি ভয়াল কালবৈশাখি। আছে বন্যার আশঙ্কা। মাস শেষে বইতে পারে তীব্র তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে বজ এবং শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখি ঝড় হতে পারে। অন্যান্য এলাকায় তিন থেকে চার দিন বজ ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা এবং মাঝারি ধরনের কালবৈশাখি ঝড় হতে পারে। মাসের শেষ সপ্তাহে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। চলতি মাসে দেশের ওপর দিয়ে তিন থেকে চারটি কালবৈশাখি বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে অন্তত দুইটি ঝড় মাঝারি মাত্রার তীব্রতা নিয়ে আঘাত হানতে পারে। এ ছাড়া মার্চের শেষ সপ্তাহে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু দাবদাহ বয়ে যেতে পারে। মার্চে দিনের তাপমাত্রা থাকবে স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য কম, ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেশি থাকতে পারে।
