করোনা ভাইরাস থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে সব বিমানবন্দর, নৌবন্দর ও স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্তে এবং সব বন্দরের প্রবেশমুখে আগত যাত্রীদের মনিটরিংয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ গতকাল রবিবার হাইকোর্টে এ রিট করেন। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এ আবেদনের উপর শুনানি হতে পারে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিত্সার জন্য কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্ক একজন ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু একজন শিশু শিক্ষার্থী যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় তখন ঐ শিশুকে কোয়ারেন্টাইনে রাখাটা অসম্ভব। কারণ শিশু শিক্ষার্থী পিতা-মাতা ছাড়া একা কোয়ারেন্টাইনে থাকতে চাইবে না। তখন শিশু শিক্ষার্থীর পাশাপাশি অভিভাবকরাও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রিটে বলা হয়, আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা যখন শ্রেণিকক্ষে যায় তখন সেখানে অসংখ্য শিশুর সমাগম হয়। তাই সমগমের ভেতর থেকে যাতে শিশুরা আক্রান্ত না হয় সেজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
রিট আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, শিক্ষা সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।
