কমিটি নিয়ে বিরোধ নিরসন, পকেট কমিটির আধিপত্য মোচন ও দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চা বাড়াতে সর্বস্তরে সরাসরি ভোটাভুটির মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করবে বিএনপি। তৃণমূলে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্রঅবধি দলের ভোটাররা ভোট দিয়ে কমিটি গঠন করবেন। এছাড়া রাজধানীতে সিটির ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে কেন্দ্রে এজেন্ট দেয়া, ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকা ও কেন্দ্রভিত্তিক শক্ত ভিত গড়াসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন এই কমিটির নেতারা।
মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল পুনর্গঠন করার জন্য সংগঠনটির বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। রবিবার রাতে গুলশান অফিসে এই বৈঠক হয়। এতে লন্ডন থেকে স্কাইপের মাধ্যমে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলের সব স্তরে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের ফলে দলে গ্রুপিং,পকেট কমিটি এবং নেতাদের একক আধিপত্য কমবে। দল শক্তিশালী ও গতিশীল হবে। দলের জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতারা যথাযথ নেতৃত্ব পাবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ২০১৯ সালের এপ্রিলে দলের সব পর্যায়ে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের পরিকল্পনা করেছিল বিএনপি। সেই সিদ্ধান্তই কার্যকর হবে। এদিকে মহিলা দলের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে।
