শোষণের জাঁতাকলে বাঙালিরা ভুগত
তাই তারা হতে চায় শৃঙ্খলমুক্ত।
প্রতিবাদী রূপ দেখে শত্রুরা ক্ষিপ্ত
সেই থেকে হয় বেশি অনাচারে লিপ্ত।
ব্যভিচারে মাতে ওরা কাঁদে মা ও ভগ্নি
শেষ করে জনপদ জ্বেলে দিয়ে অগ্নি।
পুড়ে যায় কোঠাবাড়ি পোড়ে গ্রাম বস্তি
লুট করে মালামাল কেড়ে নেয় স্বস্তি।
প্রতিরোধে ফুঁসে ওঠে হয় জাতি ক্রুদ্ধ
ঝাঁপ দিয়ে ময়দানে শুরু করে যুদ্ধ।
রঞ্জিত চারিদিক ভেসে যায় রক্ত
জীবনের মায়া নেই, মন করে শক্ত।
পাকসেনা ছিল বটে অতিশয় ধূর্ত
বারেবারে ঘা খেয়ে পাল্টালো সুর তো।
বীর বাঙালির কাছে ওরা অতি তুচ্ছ
পরাজয় মেনে তাই হাত করে উচ্চ।
শত্রুর বেড়াজাল হলো শেষে ছিন্ন
আঁকা হলো গৌরবে বিজয়ের চিহ্ন।
স্বাধীনতা পাই তবু জমে থাকে কান্না
স্বজনের দেখা আজও অনেকেই পান না।
