নাগেশ্বরীতে ব্রিজে উঠতে লাগে বাঁশের সাঁকো!

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২০, ২১:০৯

কীর্ত্তিকা সেন বিল্টু, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

সংযোগ সড়ক নেই। ভেঙে গেছে রেলিং। স্লাবের কয়েক জায়গায় দেখা দিয়েছে ফাটল। পারাপারে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো ধরে ভাঙা ব্রিজে উঠে ধোদধোরা নদী পার হচ্ছে দুই পারের বাসিন্দারা। ফলে সাঁকো থেকে পড়ে প্রায়ই ঘটছে ছোটো-বড়ো দুর্ঘটনা। ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে থাকা ব্রিজটি দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছে দুই পারের মানুষ। জানা যায়, ২১ বছর আগে তত্কালীন ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আমজাদ হোসেন বেপারীর প্রচেষ্টায় মওয়ামারী-ওয়াবদা সড়কের ধোদধোরা নদীর ওপর এলজিইডি প্রায় ১৭০ ফুট দৈর্ঘ্যের এ ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ করে। ২০১৭ সালের বন্যায় ব্রিজের দক্ষিণ অংশ সংযোগ সড়কসহ ভেঙে যায়। কিন্তু এর এক বছর পরও কোনো সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় ২০১৮ সালে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোত্তালেব সংযোগ সড়কের জায়গায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। গত দুই বছরে সেই সাঁকোও ভেঙে গেছে প্রায়। সেটি ধরে পারাপার করতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

বর্তমানে একটি নতুন ব্রিজ ও রাস্তা সংস্কারসহ ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় অসাদুজ্জামান, মিরাজ, আজিছুর রহমান, লাইলী বেগম, রাহেনা বেগমসহ ভুক্তভোগী অনেকেই জানান, নতুন করে সংযোগ সড়ক তৈরি হলে হয়তো ঐ ভাঙা ব্রিজে কোনোমতে চলাচল অব্যাহত রাখা যেত। কিন্তু আজও তা হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোত্তালেব জানান, বিষয়টি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিকবার উত্থাপন করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী বাদশাহ আলমগীর জানান, ঐ ব্রিজটির কোনো কাগজপত্র অফিসে খুঁজে পাইনি। তবে শুনেছি অনেক আগে এলজিইডি থেকে এটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সড়কটি এলজিইডির না হওয়ায় আমাদের পক্ষে সেখানে নতুন করে আর কোনো ব্রিজ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।