পটুয়াখালীতে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৮৫ জন বিদেশফেরত ১ হাজার ৯৬

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২০, ২১:১৪

অনেকে মানছেন না নির্দেশনা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

চলতি মাসে পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকার ১ হাজার ৯৬ জন বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত নিজেদের হোম কোয়ারেন্টাইনে (বাড়িতে পৃথকবাস) গেছেন ৮৫ জন। বিদেশফেরতদের সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার কথা, কিন্তু অনেকে নির্দেশনা মানছেন না। তাদেরকে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়ার জন্য খুঁজছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ। গত ১ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়ে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে ১ হাজার ৯৬ জন পটুয়াখালীতে এসেছেন। তাদের বেশির ভাগই ভারতফেরত। পুলিশের অভিবাসন শাখা থেকে বিদেশফেরতদের এই তালিকা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। এদেরকে শনাক্ত করার জন্য জেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আট জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।  পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ইত্তেফাককে জানান, বিদেশফেরতদের তালিকা ধরে জেলার ওয়ার্ড পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা খোঁজ নিচ্ছেন। প্রত্যাগতদের প্রয়োজনে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কোয়ারেন্টাইনে কিংবা আইসোলেশনে নেওয়া হবে।

শরীয়তপুরে বিদেশফেরত ২ হাজার ৮৩৮, হোম কোয়ারেন্টাইনে ২৮২

শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, গত ১৮ মার্চ পর্যন্ত শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলায় ইতালি, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে করোনা আতঙ্কে ২ হাজার ৮৩৮ জন প্রবাসী এসেছেন। কিন্তু শরীয়তপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী এদের মধ্যে মাত্র ২৮২ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। বাকিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিভিল সার্জন অফিসে প্রেস ব্রিফিংয়ে শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. এস এম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ৩৬৩ জন প্রবাসী শরীয়তপুরে এসেছেন। এদের মধ্যে ১৪ দিন পার হওয়ার পর ৮১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শরীয়তপুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২৮২ জন।