‘করোনো ভাইরাস’ কী জানে না লালমোহনের দুর্গম চরের বাসিন্দারা

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২০, ২১:৩৮

লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা

প্রাণঘাতী করোনো ভাইরাস কী—তা এখনো জানে না লালমোহন উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। এছাড়া চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য নেই কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রও। যার ফলে চরের বাসিন্দারা বছরের পর বছর সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির বাইরে থেকে যাচ্ছে। লালমোহন উপজেলার মেঘনা নদীর মধ্যে অবস্থিত চর সৈয়দপুরে ২০০ এবং তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যে অবস্থিত চরকচুয়ায় প্রায় ৮ হাজার লোকের বসবাস। এছাড়া লালমোহন উপজেলার পার্শ্ববর্তী চর মোজাম্মেল এবং চর জহিরউদ্দিনে বসবাস করছে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। এসব চরের বাসিন্দাদের কাছে করোনো ভাইরাস প্রতিরোধের কোনো বার্তা নেই।

তবে ঐ চরের বাসিন্দা আজাদ রহমান ও আবুল কাশেমসহ অনেকে জানান, করোনো সচেতনতা ছাড়াও কোনো ধরনের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নেই চরের বাসিন্দাদের জন্য। এসব চরের বাসিন্দারা জানেই না করোনো ভাইরাস কী।  জানতে চাইলে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. কবির সোহেল জানান, চর জহিরউদ্দিনে দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক আছে। সেখানে প্রোভাইডারদের মাধ্যমে করোনো সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান রুমি জানান, চরগুলোতে অলরেডি মেসেজ পাঠানো হয়েছে, যেন অত্যন্ত জরুরি না হলে কেউ যেন ঘর থেকে এবং এলাকার বাইরে না যায়।