প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২০, ১৮:২৪

নানা চড়াই-উতরাই পার করে বর্তমানে এটি ক্যাম্পাসে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। গবিসাস প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর আসিফ আল আজাদের হাত ধরে বর্তমানে এর শেকড় বেশ গভীরে পৌঁছে গেছে

  অনিক আহমেদ

 

দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিড়ে তুলনামূলক ছোট্ট একটি ক্যাম্পাস। ১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু, পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই যুগ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, তবে প্রথম দেখাতে পাবলিক বলে ভুল করার লোক নেহাত কম নয়। বিভিন্ন প্রথমের জনক ও ব্যতিক্রমধর্মী এই প্রতিষ্ঠানের নাম গণবিশ্ববিদ্যালয়। রাজধানীর অদূরে সাভারে অবস্থিত ৩৪ একর যায়গায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসে গর্ব করার মতো বিভিন্ন কিছুর মধ্যে গণবিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (গবিসাস) উল্লেখযোগ্য একটি নাম। ক্যাম্পাসের ঘটনাগুলোকে পত্রিকার পাতায় তুলে ধরতে দীর্ঘদিন যাবত্ কাজ করছে সংগঠনটি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠন ২০১৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে। দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাংবাদিক সংগঠনের শুরুটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। নানা চড়াই-উতরাই পার করে বর্তমানে এটি ক্যাম্পাসে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। গবিসাস প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর আসিফ আল আজাদের হাত ধরে বর্তমানে এর শেকড় বেশ গভীরে পৌঁছে গেছে।

সম্প্রতি গত ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গবিসাসের সপ্তম বর্ষপূর্তি ও অষ্টম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে বিশাল আয়োজন। ‘সাধ আছে, সাধ্য নাই’ অবস্থার কারণে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে নিয়মিতভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান বিশাল আকারে পালন করা সম্ভব হয়নি। বলার মতো কেবল ২০১৮ সালে জমকালোভাবে পঞ্চম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এরপর এক বছর বিরতিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে নতুন কমিটি গঠনের পর থেকেই সপ্তম বর্ষপূর্তি জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেন নতুন দায়িত্বশীলেরা। সে লক্ষ্যে মাসখানেক আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামে টিম গবিসাস। পরিকল্পনা মোতাবেক টিমের প্রতিটি সদস্যকে আলাদা কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন গবিসাসের সাধারণ সম্পাদক মো. রোকনুজ্জামান মনি।