ত ার কা ব চ ন

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২০, ২০:৫৯

টিন সেড অফিস ঘরের চেয়ার-টেবিল সরিয়ে রিহার্সেল হতো। ওদের সঙ্গে আমিও রিহার্সেলের আগে ঘর ঝাড়ু দিই, মেঝে পরিষ্কার করি, চা, এটা-ওটা এনে দিই। কিন্তু অভিনয়ের ইচ্ছে কখনো হয়নি। তখন শিল্পকলায় আলাদা দুটি কক্ষে সেলিম আল দীনের ‘সর্পবিষয়ক গল্প’ ও ফজলুর রহমানের ‘আমি রাজা হবো না’র রিহার্সেল চলছিল। একদিন রেস্তোরাঁর বেয়ারার চরিত্রাভিনেতা আসতে পারলেন না। নাটকে একটিমাত্র দৃশ্য করার জন  আমাকে প্রস্তাব করা হলো। আমি বেঁকে বসলাম, ‘অভিনয় করতে পারবো না। দর্শকের সামনে দাঁড়ানোর সাহস নেই।’ আমিরুল ভাই বোঝালেন, ‘শুধু এগিয়ে গিয়ে টেবিলের ওপর থেকে চায়ের কাপটি তুলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে।’ বললাম, ‘সামনে দিয়ে যেতে পারবো না।’ তারা তাতেই রাজি। কিন্তু পরদিনও ছেলেটি এলো না। তখন তারা আমাকে দিয়ে দৃশ্যটি আবার করালেন। এরপর বললেন, ‘দুই শব্দের সংলাপও দিতে হবে।’ আমার মেজাজ তখন চড়ে গিয়েছিল। এভাবে একটু একটু করে আমাকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করি।

 

অভিনয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা প্রসঙ্গে

নাট্যব্যক্তিত্ব রাইসুল ইসলাম আসাদ